ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
বাস্তুশাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হল ফেং শুই। এটি একটি প্রাচীন পদ্ধতি, যার মাধ্যমে মানবজীবনের সঙ্গে পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সামঞ্জস্য রক্ষিত হয়। এর আক্ষরিক অর্থ হল ‘বায়ু-জল’। এর সঠিক ব্যবহার দ্বারা বাস্তুদোষ অনেকটাই হ্রাস পায়। বাড়িতে নেগেটিভ শক্তির প্রভাবও কমে। বাড়িতে নানা জিনিস সঠিক স্থানে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলার মাধ্যমেই এই শুভ পরিবর্তন আনা সম্ভব। বাস্তুদোষ দূর করার জন্য বাঁশির ব্যবহারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে ফেং শুইয়ে।
শক্তির প্রবাহ উন্নত করতে, নেতিবাচক শক্তিকে নিষ্ক্রিয় করতে এবং শান্তি বা সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে এটি ব্যবহৃত হয়। এগুলি সাধারণত শোয়ার ঘরে বা দরজার উপরে, লাল ঝালর-সহ জোড়ায় জোড়ায় ৪৫ ডিগ্রি কোণে ঝোলানো হয়।
কোনও ঘরের বিম যদি বাইরে থেকে দৃশ্যমান হয়, তবে সেটি যেমন বাড়ির সৌন্দর্য নষ্ট করে, তেমন এর দ্বারা বাস্তুদোষও ঘটে। এর প্রতিকার রয়েছে ফেং শুইয়ে। ছাদের বিমের ঠিক নীচে দুটি বাঁশের বাঁশি লাল সুতো বা ঝালর দিয়ে বেঁধে ইংরেজি ‘ভি’ অক্ষরের মতো করে বা ৪৫ ডিগ্রি কোণে আড়াআড়ি ভাবে ঝুলিয়ে দিন। ঝোলানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে বাঁ দিকেরটি যেন ডান দিকের চেয়ে সামান্য উঁচুতে থাকে। এর ফলে নেতিবাচক শক্তি পিছু হটবে। যে জায়গা থেকে বাঁশি বাজানো হয় সেটি উপরের দিকে মুখ করে রাখুন, এতে শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য এবং কর্মজীবনের উন্নতিও হবে। মানসিক চাপ কমাতেও সহায়ক হবে এটি।
তবে কোনও ধাতুর তৈরি বাঁশি ব্যবহার করলে সুফল মিলবে না। বাঁশের বাঁশি ব্যবহার করাই উপযুক্ত। কেননা এর দ্বারাই প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হবে।