ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
যত দিন এগোচ্ছে, সোনা মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিত্তশালী না হলে এখন সোনার গয়না বানানোর কথা ভাবাও বিলাসিতা বললে কিছু ভুল বলা হবে না। যদিও সোনার গয়না ছাড়া ভারতীয়দের বিয়ের কথা প্রায় ভাবাই যায় না। তাই প্রায় সব মা-বাবাই তাঁদের ছেলে-মেয়ের বিয়ে দেওয়ার আগে সারা জীবন কষ্ট করে সঞ্চয় করা টাকা দিয়ে সোনার গয়না বানান। অনেকের আবার সোনার আংটি পরার শখ থাকে। বাজারে যে কোনও নতুন নকশা দেখলে সেইমতো বানিয়ে সোনার আংটি পরেন। সোনা যে কেবল দামি ধাতু তা-ই নয়, সোনার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে স্বয়ং মা লক্ষ্মী ও বৃহস্পতির। তাই সেটির তৈরি গয়না কোথায় পরছেন তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। বিভিন্ন আঙুলে সোনার আংটি পরার ফল মেলে ভিন্ন। জেনে নিন কোন আঙুলে সোনার আংটি পরা সবচেয়ে শুভ, কোন আঙুলে পরতে নেই।
সোনার আংটি কোন আঙুলে পরা শুভ এবং কোন আঙুলে পরতে নেই?
তর্জনী: শাস্ত্রমতে, আমাদের তর্জনীর সঙ্গে বৃহস্পতির সম্পর্ক রয়েছে। অন্য দিকে, সোনা হল বৃহস্পতির ধাতু। তর্জনীকে তাই সোনার আংটি পরার জন্য শ্রেষ্ঠ আঙুল মনে করা হয়। এই আঙুলে সোনার আংটি পরলে প্রসন্ন হন মা লক্ষ্মী।
কনিষ্ঠা: কনিষ্ঠাও সোনার আংটি পরার জন্য উপযুক্ত। এই আঙুলের সঙ্গে বুধের সম্পর্ক রয়েছে। কনিষ্ঠা বা কড়ে আঙুলে তাই সোনার আংটি পরা যেতে পারে। এই আঙুলে সোনার আংটি পরলে সম্পদ বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস রয়েছে।
অনামিকা: অনামিকাতেও সোনা পরতে অসুবিধা নেই। এই আঙুলেও সোনার আংটি পরা যেতে পারে। অনামিকার সঙ্গে সূর্যের সম্পর্ক রয়েছে। এই আঙুলে সোনা পরলে আত্মবিশ্বাস উন্নত হয়।
মধ্যমা: মধ্যমায় শনির বাস। এই আঙুল তাই সোনা পরার জন্য মোটেও শুভ নয়। এর ফলে লাভের বদলে ক্ষতি হয়। সোনার আংটি পরা থেকে তাই মধ্যমাকে বাদ রাখতে হবে।
বৃদ্ধাঙ্গুলি: বৃদ্ধাঙ্গুলির জন্য শ্রেষ্ঠ ধাতু রুপো। এই আঙুলে সোনা না পরাই শুভ।