ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
শাস্ত্রে যেমন শুভ গ্রহের উল্লেখ পাওয়া যায়, তেমনই পাওয়া যায় অশুভ গ্রহের উল্লেখ। গ্রহদের খারাপ ফল দানের ভিত্তিতে তাদের এ রূপ বিভাগের আওতায় আনা হয়। তবে অশুভ গ্রহ যেমন শুভ ফলদানে ভাগ্য বদলে দিতে পারে, তেমনই শুভ গ্রহের খারাপ প্রভাবে জীবনের উপর দুঃখের কালো ছায়া পড়তে দেখা যায়। শুক্র শুভ গ্রহ। এই গ্রহের সঙ্গে প্রেম ও বৈভবের সম্পর্ক রয়েছে। যে ব্যক্তির জন্মছকে শুক্র তুঙ্গে থাকে, তাঁর বেশভূষা যেমন সকলের নজর কাড়ে, তেমনই প্রেম ও টাকাপয়সার ক্ষেত্রে বিশেষ কষ্ট পেতে হয় না। কিন্তু শুক্র নীচস্থ হলে জীবনে দেখা দেয় নানা সমস্যা। বিশেষ করে, মহিলাদের শুক্র নীচস্থ থাকলে নানা ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়। দাম্পত্যজীবনে সুখপ্রাপ্তি ঘটে না, অর্থসঙ্কট হয় সর্ব ক্ষণের সঙ্গী। তবে সহজ কিছু উপায় মেনে চললে সুফল প্রাপ্তি সম্ভব। কী করতে হবে, জেনে নিন।
শুক্রকে উচ্চস্থ করতে মহিলারা কোন উপায়গুলি মানবেন?
নির্দিষ্ট রঙের জামা: শুক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত রঙের জামা পরলে জন্মছকে তার অবস্থান ভাল করা যায়। উজ্জ্বল সাদা বা হালকা গোলাপি রং শুক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। এই দুই রঙের জামা বেশি করে পরতে পারেন। বিশেষ করে, কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজে যাওয়ার সময় অবশ্যই এই দুই রঙের জামা পরে যান।
লক্ষ্মীর উপাসনা: শুক্রের সঙ্গে মা লক্ষ্মীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রতি শুক্রবার করে মা লক্ষ্মীর পুজো করুন। সম্ভব হলে, এক বেলা উপবাস রেখে তাঁর পুজো দিন এবং সেই দিনটি সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করুন। পুজোয় অবশ্যই পদ্মফুল ব্যবহার করুন। এই ফুল লক্ষ্মীদেবীর অতি পছন্দের।
অন্যান্য মহিলাদের সম্মান: অপরের, বিশেষ করে অন্যান্য মহিলাদের ক্ষতি চাইলে বা সমালোচনা করলে শুক্রের পূর্ণ সুফল লাভ করা যায় না। তাই এই কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অপর মহিলাদের প্রতি মনে সম্মান নিয়ে চলতে হবে। দরকারে তাঁদের পাশে দাঁড়ান, সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করুন।
শুক্রের বীজমন্ত্র জপ: প্রতি শুক্রবার সন্ধ্যায় শুক্রের বীজমন্ত্র জপ করতে পারলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। এর ফলে কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থান উন্নত করার সঙ্গে মা লক্ষ্মীর কৃপা লাভও সম্ভব হয়। আর্থিক ক্ষেত্রে উন্নতি আসে। সমৃদ্ধির পথে থাকা সকল বাধা কেটে যায়।
নিজের খেয়াল রাখা: কোষ্ঠীতে শুক্রের স্থান উন্নত করতে চাইলে নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্যে নজর রাখা জরুরি। প্রতি দিন স্নান করতে হবে। এর সঙ্গে শরীরচর্চা বা যোগব্যায়াম অভ্যাসের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখাও জরুরি।