চলছে বিয়ের মরশুম। বহু কুমারীই নতুন সংসারজীবনে প্রবেশ
করছেন। নতুন বাড়ি, নতুন পরিবার, সে সবের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ বিষয় নয়। কিন্তু
প্রায় প্রতিটি মেয়েই সে সকল কাজ অন্যন্ত নিপুণতার সঙ্গে করে নেন। বিয়ে হওয়ার পর
নানা নিয়মও মেনে চলা প্রয়োজনীয়। শাস্ত্র জানাচ্ছে, বিবাহিত মহিলাদের কিছু জিনিস
মাথায় রেখে চলতে হবে। না হলে দাম্পত্যের ক্ষতি হতে পারে। এ ছাড়া যে কোনও মেয়েরই
নিজের ভালর জন্য কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি।
- বহু মেয়েই পুরনো, ভাঙা সোনার গয়না গলিয়ে নতুন সোনার গয়না
বানিয়ে পরেন। এতে ভুল কিছু নেই। তবে নাকছাবি আর টিকলি কখনও ভেঙে অন্য গয়না বানানো
উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। এতে মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন। জীবন বিষণ্ণময় হয়ে ওঠে। বিয়ের
আগে হোক বা পরে, এই কাজ কখনওই করা যাবে না।
- অনেক জাতিকাই স্নান করে ভেজা চুলে পুজো করতে বসে যান।
শাস্ত্র জানাচ্ছে এই কাজ করা মোটেও উচিত নয়। এতে বাস্তুর উপর খারাপ প্রভাব পড়ে।
নিজেরও নানা দিক থেকে ক্ষতি হয়। সব সময় চুল ভাল করে শুকিয়ে তার পর পুজোয় বসতে হবে।
- বিবাহিত মেয়েরা কখনও খালি কান-হাত-গলায় পুজো করতে বসবেন না।
এরই সঙ্গে সিঁথিও ফাকা রাখা যাবে না। পুজো করতে বসার আগে হাতে শাখা-পলা পরে নিতে
হবে। গলায়, কানে ছোট্ট দুল ও সরু চেন পরলেও, পরতে হবে। সিঁথিতে সিঁদুর পরাও
আবশ্যিক। এতে সংসারের মঙ্গল হবে। দাম্পত্যজীবনে সুখ থাকবে।
- পুজোর কাজে যে কোনও মেয়েরই হলুদ চন্দন ব্যবহার না করাই ভাল
হবে। যদি করেও থাকেন, সেই চন্দনের ফোটা নিজের কপালে লাগাবেন না।
- বহু বিবাহিত মহিলাই চিরুনি দিয়ে সিঁদুর পরেন। এই কাজ করা
মোটেও উচিত নয়। এতে কোষ্ঠীতে শুক্র দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে দাম্পত্যজীবনে নানা
সমস্যা দেখা দেয়। সিঁদুর অত্যন্ত পবিত্র একটি জিনিস। সিঁদুর পরার জন্য নির্দিষ্ট
একটি কাঠি ব্যবহার করতে হবে। সেটি দিয়েই সব সময় সিঁদুর পরা উচিত। এ ছাড়া,
লিপস্টিক বা অন্য কিছু দিয়েও সিঁদুর পরা যাবে না।