ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
অনেক সময়ই দেখা যায় অর্থক্ষেত্র বেশ টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে। কখনও বেশ সচ্ছল ভাবে দিন কাটছে, কখনও আবার দেখা দিচ্ছে টাকাপয়সার টানাটানি। টাকার সমস্যা যখন চলে, তখন মানুষের জীবন প্রায় টালমাটাল হয়ে যায়। এতে মানুষের আত্মবিশ্বাস এবং শান্তিও নষ্ট হয়ে যায়। কখনও আবার দেখা যায় খুব কাছের মানুষও আর পাশে নেই। চারপাশের চেনা পৃথিবীটা হঠাৎ করেই খুব অচেনা মনে হতে শুরু করে। তবে, কোনও অন্ধকারই চিরকাল থাকে না। আর্থিক ক্ষেত্র স্থিতিশীল রাখার সহজ সমাধান রয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে। সেটি মেনে চলতে পারলেই সঙ্কট থেকে মুক্তি মিলবে বলে বিশ্বাস। জেনে নিন সেটি কী—
একটি মাটির ছোট পাত্র নিন। আগে ভাল করে দেখে নিন যে পাত্রটিতে যেন কোনও ছিদ্র না থাকে। এর পর এটি মধু দিয়ে পূর্ণ করুন। এ বার মধুপূর্ণ পাত্রটিকে লাল রঙের একটি কাপড় দিয়ে ভাল ভাবে ঢেকে রাখুন। নতুন লাল কাপড় ব্যবহার করাই ভাল। একান্তই সম্ভব না হলে একটি পরিষ্কার লাল কাপড়কে গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধ করে নিন, তার পরে ব্যবহার করুন। সব শেষে বাড়ির নৈঋত কোণ, অর্থাৎ দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে রেখে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন জ্যোতিষীরা।
বলা হয়, মা লক্ষ্মীর অপর এক নাম মধু বা মধুবন্তী। এই নাম তাঁর ভক্তদের প্রতি দয়াময়ী মানসিকতারই প্রকাশ ঘটায়। দেবী লক্ষ্মীর আরও একটি নাম হল ভূদেবী। অর্থাৎ, মাটির সঙ্গে সম্পর্কিত। এই দুই জিনিসের যখন সংযোগ ঘটে, তখন দেবী তুষ্ট হন বলে প্রচলিত বিশ্বাস। এর ফলেই আর্থিক বিষয়ে ভারসাম্য আসার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। উপার্জনও বাড়ে বলে মনে করা হয়।
বাস্তুশাস্ত্রে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক বা নৈঋত কোণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত হয়। বলা হয়ে থাকে এই দিকটি স্থিতিশীলতার প্রতীক। সেই কারণেই বিশেষ এই দিকে মা লক্ষ্মীর প্রতীক দু’টি বস্তুর সহাবস্থান সৌভাগ্য এনে দেয় বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদেরা।
এ ছাড়া, এই দিকে ছোট একটি টাকার ভাঁড় রাখাও উপকারী হবে বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র।