Negative Energy Detection Test
জলের মতো খরচ হচ্ছে, দোসর নিত্য অশান্তি! বাড়িতে অশুভ শক্তি নেই তো? ঘরোয়া উপায়ে পরীক্ষাতেই মিলবে উত্তর
বাড়িতে রোজকার অশান্তি, মানসিক চাপ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে— এ সব ইঙ্গিত বাড়িতে অশুভ শক্তির উপস্থিতির লক্ষণ। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ঘরোয়া পদ্ধতিতে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি উপস্থিত রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা যায়।
বাড়িতে অকারণে জিনিসপত্র খারাপ হচ্ছে? জলের
মতো টাকা খরচ হচ্ছে, পরিবারে ছোট ছোট কারণে বড় রকমের অশান্তি, কাজে বাধা, মানসিক চাপও বেড়ে
চলেছে ক্রমাগত। জীবনে এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন কমবেশি সকলকেই হতে হয়। কিন্তু দিনের
পর দিন এই ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকলে তা এড়িয়ে চলা উচিত নয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী,
বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে অথবা অশুভ শক্তির ছায়া পড়লে এই ধরনের
ঘটনা ঘটতে পারে। খুব সহজেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে একটি পরীক্ষা করে বাড়িতে নেতিবাচক
শক্তির উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। জেনে নিন সেই পরীক্ষার নিয়ম—
- একটি কাচের গ্লাসে পরিষ্কার জল নিন। তাতে সামান্য গঙ্গাজল
মিশিয়ে দিন। তার পর ওই জলে গোলাপের কয়েকটি পাপড়ি দিয়ে গ্লাসটি বাড়ির কোনও নির্জন
কোণে রেখে দিন। অন্তত ২৪ ঘণ্টা একই ভাবে গ্লাসটি সেই জায়গায় রেখে দিন। সেই গ্লাসে
আর হাত দেবেন না।
- পরের দিন জলের রং পরিবর্তন হয়েছে কি না তা ভাল ভাবে লক্ষ
করুন। রং বদলে গেলে বুঝতে হবে, বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি রয়েছে। আর যদি
জলের রং অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে আপনার বাড়িতে অশুভ শক্তির
ছায়া পড়েনি বলে মনে করা হয়।
নেতিবাচক শক্তি দূর করার উপায়
- বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন মেঝে পরিষ্কার
করার সময় জলে সামান্য সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে নিন। এই লবণ মেশানো জল দিয়ে ঘর মুছলে নেতিবাচক
শক্তি দূর হয়।
- বাড়ির মূল প্রবেশদ্বার সব সময় পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি।
এই পথ দিয়েই বাড়িতে মা লক্ষ্মী প্রবেশ করেন। দরজার সামনে ময়লা জমে থাকলে নেতিবাচক
শক্তির চলাফেরা শুরু হয়।
- দেড় কেজি নুন ওজন করে একটি লাল কাপড়ে বেঁধে রান্নাঘরের এমন
জায়গায় রাখুন, যেখানে বাইরের লোকের নজর পড়বে না। তা নেতিবাচক শক্তি
শোষণ করতে সাহায্য করে।
- লেবুর রস মিশিয়ে দরজার হাতল এবং জানলা পরিষ্কার করলে ঘরের
পরিবেশ সতেজ থাকে এবং নেতিবাচকতা কমে।
- ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি করে এমন গাছ বাড়িতে লাগানো যেতে পারে।
তুলসীগাছ, মানিপ্ল্যান্ট, ব্যাম্বু ট্রির
মতো গাছ ঘরে শান্তি ও শুভ শক্তির প্রবাহ বজায় রাখে।