সারা দিন কঠোর পরিশ্রমের পর
রাতে বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়ার পর বিশ্রামই যেন জীবনের মূলমন্ত্র হয়ে ওঠে। তখন মাথার
দিক আর পায়ের দিক ঠিক কোন অভিমুখে রাখা প্রয়োজন, তা নিয়ে মাথাব্যথা করেন না
অনেকেই। তবে বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, রাতে ঘুমোনোর সময় ঘরের দরজার দিকে পা রেখে শুলে
জীবনে ধেয়ে আসতে পারে অমঙ্গলের ছায়া। নেতিবাচক শক্তির প্রবাহকে আকর্ষণ করে এই নিত্য
অভ্যাস। দরজার দিকে পা রেখে ঘুমোলে কী কী অশুভ লক্ষণ দেখা যায় তা নিয়ে নীচে
বিস্তারে আলোচনা করা হল—
- বাস্তুমতে, ঘরের দরজার মাধ্যমে ঘরে প্রধান শক্তির প্রবাহ ঘটে। দরজা
দিয়ে যেমন ইতিবাচক শক্তি প্রবেশ করে, তেমনই বাইরে থেকে আসা নেতিবাচক শক্তিও প্রথম দরজার সংস্পর্শে আসে। যখন আপনি
দরজার দিকে পা দিয়ে ঘুমোন, তখন আপনার শক্তি
সেই পথ দিয়ে সহজেই বেরিয়ে যেতে পারে, যা আপনাকে ক্লান্ত ও অবসাদগ্রস্ত করে তুলতে পারে।
- বাস্তু অনুযায়ী, এই অবস্থানে ঘুমোলে মন অশান্ত থাকে। এর ফলে দুঃস্বপ্ন দেখার
প্রবণতা বাড়ে এবং মানুষ অনিদ্রায় ভুগতে পারে।
- বাস্তুশাস্ত্রে দিকনির্ণয়ের
একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। সাধারণত দক্ষিণ দিককে যমরাজের দিক মনে করা হয়। যদি ঘরের
দরজা দক্ষিণ বা এমন কোনও দিকে থাকে, যে দিকে পা দিয়ে ঘুমোলে বাস্তুর নিয়ম লঙ্ঘিত
হয়,
তবে তা পরিবারে অশান্তি ডেকে আনে।
- বাস্তুমতে, পূর্ব বা দক্ষিণ দিকে মাথা এবং পশ্চিম বা উত্তর দিকে পা দিয়ে ঘুমোনো সবচেয়ে শুভ।
- সম্ভব হলে আপনার খাটের
অবস্থান এমন ভাবে পরিবর্তন করুন যাতে ঘুমোনোর সময় পা সরাসরি দরজার দিকে না থাকে।
- যদি ঘরের জায়গার অভাবে খাট
সরানো সম্ভব না হয়, তবে ঘুমোনোর
সময় ঘরের দরজা বন্ধ রাখুন। দরজা বন্ধ করতে না চাইলে গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করুন।
এর ফলে নেতিবাচক শক্তিপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টি হয়।