ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
১ মে ২০২৬, শুক্রবার বুদ্ধপূর্ণিমা। এই পূর্ণিমা তিথি বৈশাখী পূর্ণিমা নামেও খ্যাত। কারণ, বৈশাখ মাসে পালিত হয়। এই পূর্ণিমা তিথির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে কারণ এই তিথিতেই বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক তথা বিষ্ণুর অবতার শ্রী গৌতম বুদ্ধ ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। আজকাল পূর্ণিমা তিথির রাতটি অনেকে ‘ম্যানিফেস্টেশনের’ রাত হিসাবে গণ্য করেন। কারণ, চাঁদের আলোয় ইচ্ছাপূরণ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়। বাংলা সন ১৪৩৩-এর প্রথম পূর্ণিমা তিথি পড়ছে পয়লা মে। তাই এই রাতটি ইচ্ছাপূরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষবিদেরা। জন্মসংখ্যা মেনে বিশেষ কিছু উপায় যদি এই দিন পালন করা যায়, তা হলে মনোবাসনা পূরণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। কী করতে হবে, জেনে নিন।
বুদ্ধপূর্ণিমার রাতে জন্মসংখ্যা অনুযায়ী কী করতে হবে?
১: বৈশাখী পূর্ণিমার রাতে ১ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা চাঁদের আলো পড়ে এমন জায়গায় ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালুন। তার পর সেখানে বসে একমনে মনোবাসনা নিয়ে ভাবুন। এ ক্ষেত্রে যে কোনও একটা ইচ্ছা বেছে নিতে হবে। অনেকগুলি নিয়ে ভাবলে হবে না।
২: চাঁদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ২ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা বুদ্ধপূর্ণিমার রাতে কোনও শান্ত জায়গায় একটা সাদা রঙের মোমবাতি জ্বেলে বসুন। তার পর মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করে মনোবাসনা জানান। ইচ্ছাপূরণের সম্ভাবনা দৃঢ় হবে।
৩: বুদ্ধপূর্ণিমার রাতে চাঁদ উদয়ের পরমুহূর্তে ৩ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা হলুদ রঙের মোমবাতি জ্বালিয়ে মনোবাসনার কথা ভাবুন। এই সময় অন্য কোনও দিকে মনোনিবেশ করা যাবে না।
৪: ৪ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা পূর্ণিমার রাতে ছাই রঙের একটা মোমবাতি জ্বেলে মনোবাসনা সম্বন্ধে ভাবুন। ইচ্ছা পূরণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।
৫: বুদ্ধপূর্ণিমার রাতে ৫ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা চাঁদের আলোয় একটি গণেশের মূর্তি রাখুন। তাঁর সামনে একটি প্রদীপ জ্বালুন। এর পর ‘ওম গণ গণপতয়ে নমো’ মন্ত্রটি উচ্চারণ করে মনোস্কামনা জানান।
৬: চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে করজোড়ে ৬ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা নিষ্ঠাভরে ‘ওম নমো লক্ষ্মী নারায়ণায়ে নমো’ মন্ত্রটি উচ্চারণ করুন। খুব ভাল ফল পাবেন।
৭: বৈশাখী পূর্ণিমার রাতে চাঁদের আলোয় বসে ধ্যান করলে ৭ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা খুব ভাল ফল পাবেন। এই সময় ‘ওম’ মন্ত্রটি উচ্চারণ করুন।
৮: মনোবাসনা পূরণ করতে ৮ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা চাঁদের আলোয় বসে হনুমান চালিশা পাঠ করুন।
৯: চাঁদের আলোয় বসে ৯ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা সকল মনোবাসনা ডায়েরির পাতায় লিখে রাখুন। ইচ্ছা পূরণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।