—প্রতীকী ছবি।
সাপের চামড়া তাদের শরীরের মতো নমনীয় নয়। সাধারণ ভাবে বলা যায়, যখন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সাপের দৈর্ঘ্য বাড়ে তখন তার শরীরের তুলনায় পুরনো চামড়াটি ছোট হয়ে যায়। তাই শরীরের বৃদ্ধির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাপ পুরনো চামড়া ত্যাগ করে। এ ছাড়া সাপের চামড়ায় অনেক সময় পরজীবী বাসা বাঁধে। খোলস ত্যাগ করার ফলে এগুলিও সাপের শরীর থেকে দূর হয়ে যায়। আবার কখনও-সখনও চামড়ায় সংক্রমণ হলেও ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি থেকে নিজেকে বাঁচাতে সাপ খোলস ত্যাগ করে থাকে।
এ তো গেল জীববিদ্যার কথা। সাপ নিয়ে একটি ভীতি কমবেশি সব মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। তাই বাড়িতে কোনও সাপের খোলস দেখামাত্র দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে যায় যে সেই সাপটি বাড়িতে আস্তানা গেড়েছে কি না। সাপ বাড়িতে খোলস ছাড়লে সেটি শুভ না অশুভ, সে ব্যাপারে জানা যায় বাস্তুশাস্ত্র থেকে। এ ব্যাপারে অভয় দিয়ে থাকেন বাস্তুবিদেরা। তাঁদের মতে, বাড়িতে সাপের খোলস ছাড়া মঙ্গলজনক বার্তা দেয়। বিশেষ করে গৃহিণীদের সৌভাগ্য আনতে পারে এটি। বাড়িতে সাপের খোলস পাওয়া গেলে দু’টি টোটকা পালনের কথা জানাচ্ছে শাস্ত্র—