ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
হিরে কেবল দামি রত্নই নয়। শাস্ত্রেও এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। শাস্ত্রমতে হিরের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে শুক্রের। সেই কারণে কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থান খারাপ বা নীচস্থ হলে হিরে ধারণের নিদান দেন জ্যোতিষীরা। তবে হিরে ধারণের আগে সকলে যে কোষ্ঠীতে গ্রহের অবস্থান দেখেন তা নয়। বহু মানুষেরই হিরের গয়না সংগ্রহে রাখার শখ থাকে। কিন্তু শাস্ত্র বলছে হিরে যেনতেন নিয়মে ধারণ করার জিনিস নয়। এর ফলে ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়ে। হিরে ধারণের কিছু অমোঘ নিয়ম রয়েছে। সেগুলি মেনে চলা জরুরি।
হিরে ধারণের নিয়ম:
১. সকলের ভাগ্যে হিরে সহ্য হয় না। তাই হিরে ধারণের পূর্বে জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ঘটে অমঙ্গল। ভাল হওয়ার বদলে খারাপ হয়।
২. জ্যোতিষীর পরামর্শ না নিতে পারলে আগে সাত দিন পরে দেখতে হবে যে হিরে আপনার আদৌ সহ্য হচ্ছে কি না। সেই সাত দিনের মধ্যে কোনও অঘটন না ঘটলে তার পর পাকাপাকি ভাবে হিরে ধারণ করতে পারেন। তবে জ্যোতিষীর পরামর্শ গ্রহণ করাই সবচেয়ে ভাল বলে মনে করা হয়।
৩. হিরেতে কোনও দাগ থাকা চলবে না। সেটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং দাগহীন হতে হবে।
৪. ০.২৫ থেকে ১ ক্যারেট পর্যন্ত হিরে ধারণের উপযুক্ত বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
৫. হিরে সর্বদা প্ল্যাটিনাম, হোয়াইট গোল্ড এবং রুপোর সঙ্গে পরা উচিত। সোনা দিয়ে হিরে না পরাই ভাল।
৬. শুক্রবার দিনটি হিরে ধারণের জন্য উপযুক্ত। শুক্লপক্ষ রয়েছে এমন কোনও শুক্রবার সকালে স্নানের পর হিরে ধারণ করতে হবে।
৭. ডান হাতের অনামিকা বা মধ্যমায় হিরে ধারণ করা শুভ। সেটি পরার আগে ১০৮ বার শুক্রের মন্ত্র জপ করতে হবে।