ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।
সিঁদুর হিন্দু মহিলাদের বিবাহিত জীবনের একটা অন্যতম দৃশ্যমান চিহ্ন। প্রচলিত বিশ্বাস মতে, স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনায় বিয়ের পর হিন্দু মহিলারা সিঁথিতে সিঁদুর পরেন। এ ছাড়া কপাল এবং মাথার মাঝখানে যেখানে সিঁদুর পরা হয়, সেখানে শরীরের আজ্ঞাচক্র অবস্থান করে। এই স্থানটিতে সিঁদুর পরার অর্থ একাগ্রতা বৃদ্ধি এবং আত্মশক্তির উন্নতি হওয়া বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষ। শাস্ত্রে সিঁদুর পরার সময় বিশেষ কয়েকটা সতর্কতা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। সেগুলি সিঁদুর পরার সময় মহিলারা মানলে বিবাহিত জীবনে খুবই ভাল ফল পাবেন।
নিয়ম:
১) স্নান করার পর কখনওই খোলা চুলে সিঁদুর পরতে নেই। এ ছাড়া মাথা ঢাকা দিয়ে তার পরই সিঁদুর পরতে হয়।
২) সব সময় দাঁড়িয়ে থেকে সিঁদুর পরতে নেই। সিঁদুর পরার সময় শান্ত মনে এক জায়গায় বসে তার পর সিঁদুর পরা উচিত।
৩) সিঁদুর পরার সময় আপনার মুখ পূর্ব অথবা উত্তর দিকে হতে হবে।
৪) স্নান না করে বা অশুচি জামাকাপড় পরে সিঁদুর পরতে নেই, এটা খুবই অশুভ বলে মানা হয়।
৫) সিঁদুর যতটা সম্ভব একান্তে পরার চেষ্টা করুন। সকলের সামনে সিঁদুর পরা খুব একটা ভাল নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
৬) সিঁদুর পরার সময় যেন আপনার নিজের হাতের ছায়া সিঁথিতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৭) শাস্ত্রমতে তর্জনী বা মধ্যমা দিয়ে সিঁদুর পরা একেবারেই উচিত নয়। অনামিকা এবং বুড়ো আঙুল দিয়ে সিঁদুর পরতে হয়।
৮) নিজের ব্যবহৃত সিঁদুর কখনও কাউকে ব্যবহার করতে দিতে নেই।
৯) সিঁদুরের কৌটো যেন কোনও ভাবে সিঁদুর পরার সময় হাত থেকে পড়ে না যায় সে দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
১০) প্লাস্টিকের সিঁদুরের কৌটো একেবারেই বর্জিত। রুপোর সিঁদুরের কৌটো খুবই শুভ বলে মানা হয়।