ছবি: (এ আই সহায়তায় প্রণীত)।
রামের নাম জপে মনে সাহস আসে। যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করে ফেলা যায়। তেমনটাই জানাচ্ছে শাস্ত্র। পুরাণমতে, রাম শ্রীবিষ্ণুর সপ্তম অবতার। চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের নবমী তিথিতে রামের জন্ম হয়। শাস্ত্রে বিভিন্ন দেব-দেবীর রাশিচক্রের নির্দিষ্ট কিছু রাশির সঙ্গে থাকা সুসম্পর্কের উল্লেখ রয়েছে। সেই তালিকায় প্রভু রামও রয়েছেন। রাশিচক্রের পাঁচ রাশির সঙ্গে রঘুবীরের সম্পর্ক ভাল হয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। তালিকায় কারা রয়েছে, দেখে নিন।
প্রভু রামের প্রিয় কারা?
মিথুন: মিথুন জাতক-জাতিকাদের সঙ্গে রামের সখ্য রয়েছে। জীবনের যে কোনও ক্ষেত্রে রঘুবীর এঁদের রক্ষা করেন। জটিল পরিস্থিতিতে রামের নাম জপলে এঁরা সহজেই সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। রামের কৃপায় মিথুন জাতক-জাতিকারা সমাজে প্রচুর নাম করেন। সফলতা প্রাপ্তিতে সুবিধা হয়।
কর্কট: রামের কৃপায় কর্কট জাতক-জাতিকারা কর্মক্ষেত্রে সকলের প্রিয় হয়ে ওঠেন। দাশরথি এঁদের সফলতা প্রাপ্তিতে সাহায্য করে। জীবনে কোনও সমস্যা আসলেও এঁদের বিশেষ ভোগান্তি পোহাতে হয় না। সহজেই সেখান থেকে মুক্তির পথ খুঁজে পেয়ে যান কর্কট জাতক-জাতিকারা। পারিবারিক সুখ-শান্তি বজায় থাকে।
তুলা: তুলা রাশির জাতক-জাতিকাদের উপর প্রভু রামের আশীর্বাদ রয়েছে। সেই কারণে এঁদের আধ্যাত্মিক জ্ঞান অন্যদের তুলনায় বেশি হয়। তুলা রাশির ব্যক্তিদের জীবনে ভারসাম্য রক্ষা করে এগিয়ে চলতে সাহায্য করেন রঘুবীর। যে কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে এঁরা মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন। আধ্যাত্মিক চিন্তাভাবনার দ্বারা নিজেরাই নিজেদের সমস্যা থেকে বার করে আনতে পারেন।
কুম্ভ: কুম্ভের জাতক-জাতিকারাও রামের কৃপার প্রার্থী। এঁদের পরিশ্রম করার শক্তি জোগান প্রভু রাম। মন শক্ত করে এগিয়ে চলার সাহস এই রাশির মধ্যে ভরপুর। পরিস্থিতি যতই জটিল হোক, এঁরা কখনও ভেঙে পড়েন না। কুম্ভ রাশির ব্যক্তিদের সাহস ও একাগ্রতা সকলের নজর কাড়ে। সফলতা পেতে এঁদের সমস্যা হয় না।
মীন: রামের আশীর্বাদ মীন জাতক-জাতিকাদের সঙ্গে রয়েছে। দাশরথি এঁদের যে কোনও পরিস্থিতিতে রক্ষা করে চলেন। রাম নাম জপের মাধ্যমে এঁরা সমস্ত বিপদ কাটিয়ে এগিয়ে যেতে সক্ষম হন। মীন রাশির ব্যক্তিদের কখনও অর্থাভাবের সম্মুখীন হতে হয় না। সমাজে প্রচুর নাম-যশ অর্জন করতে পারেন।