ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
আমাদের জীবনে হস্তরেখাবিদ্যার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। হস্তরেখাবিদ্যা হল তালুর রেখা, আকার এবং গঠন বিশ্লেষণ করে একজন মানুষের চরিত্র, ব্যক্তিত্ব এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিচার করার প্রাচীন একটি বিদ্যা। তালুর বিভিন্ন উঁচু বা মাংসল অংশকে ‘পর্বত’ বলে থাকেন হস্তরেখাবিদেরা। প্রতিটি পর্বত সৌরজগতের একটি নির্দিষ্ট গ্রহের গুণাবলি ধারণ করে বলে মনে করা হয়।
জ্যোতির্বিজ্ঞান মতে, রাহু একটি গাণিতিক বিন্দু বা নোড মাত্র। এটি ছায়াগ্রহ হিসাবেও বিবেচিত হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রে এর স্বতন্ত্র গুরুত্ব রয়েছে। হস্তরেখাশাস্ত্র অনুসারে, তালুতে এর অবস্থান প্রায় মাঝামাঝি অংশে। শিরোরেখার নীচে তিনটি গ্রহের পর্বত দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে এটি। এই তিন গ্রহ হল মঙ্গল, শুক্র এবং চন্দ্র। এই পর্বতের মধ্য দিয়ে ভাগ্যরেখা শনিপর্বতের দিকে প্রসারিত হয়।
রাহুপর্বতের অবস্থান এবং উচ্চতা কোনও ব্যক্তির জীবন ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ করতে পারে বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদেরা। জ্যোতিষশাস্ত্রে যেমন কোনও ব্যক্তির জন্মকুণ্ডলীতে রাহুর অবস্থান দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়, ঠিক তেমনই তালুতে রাহুর অবস্থান দেখে ভাগ্য, জীবনসংগ্রাম, জীবনে আকস্মিক পরিবর্তন, অগ্রগতি ইত্যাদি সম্পর্কিত অনেক শুভ ও অশুভ ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তালুতে রাহু গ্রহের অবস্থান এবং এর অবস্থানের উপর ভিত্তি করে জাতক-জাতিকা যে ফল লাভ করেন, সে বিষয়ে কী বলছে হস্তরেখাশাস্ত্র তা বিস্তারিত ভাবে জেনে নিন—