ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
চলতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাস শুরু হয়েছে অমাবস্যায়। শেষও হচ্ছে অমাবস্যাতেই। হিন্দু ধর্মে এমনিতেই অমাবস্যা তিথির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তার উপর কোনও মাসে যদি দু’টি অমাবস্যা পালিত হয়, তা হলে শেষ অমাবস্যাকে শাস্ত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ সেই দিনে নির্দিষ্ট কিছু উপায় পালন করলে ভাগ্যের উন্নতি ঘটানো যায়। জীবনের নানা বাধাবিঘ্ন কাটিয়ে উঠে উন্নতির পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। কবে পড়ছে সেই অমাবস্যা এবং কোন উপায়গুলি মানা প্রয়োজনীয়, জেনে নিন।
কবে পড়ছে জ্যৈষ্ঠের শেষ অমাবস্যা?
অমাবস্যা ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪ জুন, রবিবার।
অমাবস্যা তিথি আরম্ভ-
৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪ জুন, রবিবার দুপুর ১২টা ২১ মিনিট।
অমাবস্যা তিথি শেষ-
৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৫ জুন, সোমবার সকাল ৮টা ২৪ মিনিট।
যেহেতু সোমবার দিনও অমাবস্যা তিথি থাকছে, তাই একে সোমবতী অমাবস্যাও বলা হয়।
উপায়:
১. মলমাসের শেষ অমাবস্যা তিথি পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনার জন্য শ্রেষ্ঠ মনে করা হয়। বিশেষ সেই দিনে দরিদ্রদের খাদ্যদ্রব্য, জুতো প্রভৃতি দান করলে পিতৃদোষ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস।
২. বিশেষ এই দিন ভোরবেলা নদীতে স্নান করতে পারলে খুব ভাল হয়। এরই সঙ্গে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে কালো তিল অর্পণ করা যেতে পারে। এর ফলে পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ প্রাপ্ত হবেন।
৩. অমাবস্যা তিথিতে দীপ দানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই দিন সন্ধ্যায় মাটির তৈরি প্রদীপ জ্বালিয়ে অশ্বত্থপাতায় করে সেটি নদীর জলে ভাসিয়ে দিন। বাড়ির আশপাশের কোনও মন্দিয়ে গিয়ে প্রদীপ জ্বালান। বাড়িতে ঠাকুরের আসনে এবং সদর দরজার কাছে একটা প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখুন। এর ফলে নেতিবাচক শক্তি ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না। জীবন থেকে সমস্ত বাধাবিঘ্ন দূর হয়ে যাবে।
৪. সোমবারও অমাবস্যা তিথি থাকছে। সেই দিন শিবের উপাসনা করতে পারলে খুব ভাল হয়। মনোমতো জিনিস দিয়ে অভিষেক করে বেলপাতা সহযোগে শিবের পুজো করতে হবে।
৫. বিশেষ এই তিথিতে কোনও তামসিক খাবার গ্রহণ না করাই ভাল বলে মনে করা হচ্ছে।