—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
কৌতুকাভিনেতা প্রণীত মোরের অনুষ্ঠানে অসংবেদনশীল মন্তব্য করার জেরে বিপাকে পড়লেন আরও এক দর্শক। পুরুষ মৃতদেহের যৌনাঙ্গ নিয়ে ‘ঠাট্টা’র ছলে ‘অসংবেদনশীল’ মন্তব্যের জেরে নিজের কলেজ থেকে ১৫ দিনের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হল এক মহিলা ডাক্তারি পড়ুয়াকে। এর আগেই ডেটে গিয়ে ‘৩৭০ টাকার বিরিয়ানি’-র টাকা উসুল করা নিয়ে এক দর্শকের করা কিছু বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে বিপাকে পড়েছিলেন প্রণীত মোর এবং ওই দর্শক। এ বার ফের এক নয়া বিতর্ক শুরু হল।
সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সেজল পওয়ার নামে বছর ২৫-এর এক দর্শককে প্রণীত মোর জিজ্ঞেস করছেন, ময়না তদন্ত করার সময়ে তিনি এবং বাকি চিকিৎসকেরা কি গম্ভীর থাকেন? এর উত্তরে সেজল বলেন, মরদেহ নিয়ে তাঁদের নানা বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেজল দাবি করেন, পুরুষদের মৃতদেহের ময়না তদন্ত করার সময়ে তাঁদের যৌনাঙ্গের আকার-আকৃতি নিয়ে নানা সময়ে ঠাট্টা করেছেন তিনি ও তাঁর সহপাঠীরা। এ-ও বলেন, কী ভাবে বিভিন্ন দেহাংশ কাটা হয়, তা নিয়েও হাসাহাসি করতেন তাঁরা। সেজলের করা এমন মন্তব্যের ভিডিয়ো ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। ওঠে নিন্দার ঝড়ও।
দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়ার পরেই সেজলের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয় নোডাল সাইবার থানায়। এ ছাড়াও, ওই পড়ুয়াকে ১৫ দিনের জন্য বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর কথা ঘোষণা করে মুম্বইয়ের কেইএম মেডিক্যাল কলেজ। এই সময়ে হস্টেলেও ঢুকতে পারবেন না তিনি। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত এক অধ্যাপক, এক প্রবীণ সাংবাদিক এবং মেডিক্যাল কলেজের তিন শিক্ষক ওই কমিটিতে থাকবেন বলে খবর সূত্রের।
বিতর্কের মাঝে ক্ষমা চেয়েছেন সেজল। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা একটি বার্তায় সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে লিখেছেন, ‘আমি বুঝতে পারছি যে আমি যা বলেছি তা অনুচিত ছিল। স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। কাউকে অসম্মান করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না’। তিনি আরও লিখেছেন, ‘পড়ুয়া হিসেবে এমন ঘটনা থেকে আমি শিক্ষা নিলাম কী ভাবে সকলের সঙ্গে কথা বলতে হয়, বিশেষত এমন সব বিষয়ে যা মানুষকে আঘাত দিতে পারে’।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে