বরাকে বিক্ষোভ রেলকর্মীদের

এক দাবি, এক সময়, এক এলাকা। তবু রেলকর্মীদের দুই সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করল। বিবেক দেবরায় কমিটির রিপোর্ট খারিজের দাবিতে আজ আন্দোলনে নামে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল মজদুর ইউনিয়ন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০১৫ ০৪:১০
Share:

বিবেক দেবরায় কমিটির রিপোর্ট খারিজের দাবিতে রেলকর্মীদের বিক্ষোভ। বৃহস্পতিবার করিমগঞ্জে। ছবি: শীর্ষেন্দু সী।

এক দাবি, এক সময়, এক এলাকা। তবু রেলকর্মীদের দুই সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করল।

Advertisement

বিবেক দেবরায় কমিটির রিপোর্ট খারিজের দাবিতে আজ আন্দোলনে নামে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল মজদুর ইউনিয়ন। শিলচরেও উভয় সংগঠন সরব হয়। এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন দিনটি প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালন করে। বিবেক দেবরায়ের কুশপুতুল নিয়ে মিছিল বের হয়। স্টেশন প্রাঙ্গণে ফিরে কুশপুতুল দাহ করা হয়। সেখানে এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি স্বপনকুমার রাউত, সম্পাদক কল্যাণ নাথ ও যুগ্ম সম্পাদক সুজন মিত্র বক্তব্য রাখেন।

অন্য দিকে, মজদুর ইউনিয়ন একই দাবিতে মঙ্গলবার থেকে প্রতিবাদ সপ্তাহ পালন করছে। এরই অঙ্গ হিসেবে আজ নির্মীয়মান প্ল্যাটফর্মে সবাই জমায়েত হন। মিছিল করে যান নির্মাণ শাখার ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ারের অফিসে। সেখানে বিবেক দেবরায় কমিটির রিপোর্ট খারিজের দাবিতে বক্তৃতা করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ভজন দে, শিলচর শাখার কোষাধ্যক্ষ বিপ্লব দাস ও বদরপুর শাখার কোষাধ্যক্ষ সজল চক্রবর্তী। ৩০ জুন দেশ জুড়ে কালো দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। দুই সংগঠনের পক্ষ থেকেই বলা হয়েছে— রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। বিজেপি সরকার দায়িত্ব নিয়েই অর্থনীতিবিদ বিবেক দেবরায়কে চেয়ারম্যান করে রেল পুনর্গঠনে কমিটি গঠন করে। তার রিপোর্ট এর মধ্যে কেন্দ্রে জমা পড়েছে। ইউনিয়নগুলির কথায়, এই রিপোর্ট গ্রহণ করা হলে রেল কর্মচারীরা চাকরির নিরাপত্তা হারাবেন। এ ছাড়া, দেশবাসীর বিরাট ক্ষতি হবে। তাই তাঁরা সাধারণ মানুষকেও এ নিয়ে সরব হওয়ার আহ্বান জানান।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement