Jammu and Kashmir

জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা বাড়াতে তৎপর সেনা

নিয়ন্ত্রণরেখা দিয়ে অনুপ্রবেশ আটকাতে বেশি করে সেনা মোতায়েন ও সেই বাহিনী সচল রাখা হচ্ছে। গ্রীষ্মে অনুপ্রবেশ বৃদ্ধির আশঙ্কায় বাড়ানো হয়েছে টহল। প্রতি এলাকায় মহড়া, তল্লাশি নিয়মমাফিক চলছে।

সাবির ইবন ইউসুফ

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১৯
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলার এক বছর পরে সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলি জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করার উপর জোর দিয়েছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা কৌশলে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বেশি করে। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগামে পর্যটকদের উপরে জঙ্গি হামলায় নিহত হন ২৬ জন। যা জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তায় গলদ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশি সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি, গোয়েন্দা বিভাগগুলির মধ্যে সমন্বয়, অনুপ্রবেশ রোধের বিষয়গুলি।

হামলার পরে নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ বিশেষ পর্যটন কেন্দ্রগুলির পরিস্থিতি দীর্ঘ পর্যালোচনা করে প্রায় ৮৭টি জায়গা চিহ্নিত করেছে। তার মধ্যে ৪৯টি স্পর্শকাতর জায়গা পর্যটকদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। নিয়ন্ত্রণরেখা দিয়ে অনুপ্রবেশ আটকাতে বেশি করে সেনা মোতায়েন ও সেই বাহিনী সচল রাখা হচ্ছে। গ্রীষ্মে অনুপ্রবেশ বৃদ্ধির আশঙ্কায় বাড়ানো হয়েছে টহল। প্রতি এলাকায় মহড়া, তল্লাশি নিয়মমাফিক চলছে। একটানা ৭২ থেকে ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত যাতে অভিযান চালানো যায়, সে জন্য সেনার অস্থায়ী ঘাঁটিও তৈরি হয়েছে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে।

গত এক বছরে অনুপ্রবেশ রুখতে প্রযুক্তির উপরেই বেশি জোর দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। নিয়ন্ত্রণরেখায় সন্দেহজনক গতিবিধি টের পেতে ব্যবহার করা হচ্ছে অতিরিক্ত নজরদারি ক্যামেরা, অন্ধকারে দেখার পরিকাঠামো, ক্যামেরা বসানো ড্রোন। গোয়েন্দা তথ্য আরও ভাল পেতে পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন বেশি হয়েছে সংবেদনশীল নানা এলাকায়। সেনা এবং পুলিশের যোগাযোগ বৃদ্ধি আর দায়িত্ব নির্দিষ্ট ভাবে ভাগ করে নেওয়ার ফলে কিছু ঘটলে আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে, দাবি বাহিনীর।

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে আকাশপথে হামলা রুখতে আরও বেড়েছে প্রতিরক্ষামূলক ড্রোনের ব্যবহার। নজরদারি ক্যামেরা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত ড্রোন ব্যবহার করে, নিয়ন্ত্রণরেখা এলাকায় আরও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে একটি ‘সমন্বিত কমান্ড ও কন্ট্রোল সিস্টেম’। এ ছাড়া দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে জঙ্গিদের আস্তানা খুঁজতে মোতায়েন হয়েছে বিশেষ বাহিনী। দ্রুত অভিযান চালানোর জন্য উপযুক্ত যানবাহনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন