গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পরে পি শ্রীমতি ও কনীনিকা ঘোষ (ডান দিকে)। হায়দরাবাদে। নিজস্ব চিত্র।
সিপিএমের আরও একটি গণ-সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে এল বাঙালি মুখ। হায়দরাবাদে গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির ১৪তম সর্বভারতীয় সম্মেলন থেকে সংগঠনের নতুন সাধারণ সম্পাদক হলেন পশ্চিমবঙ্গের কনীনিকা ঘোষ। সভাপতি পদে ফের দায়িত্ব পেয়েছেন কেরলের পি কে শ্রীমতিই। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন ওড়িশার তাপসী প্রহরাজ। সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মরিয়ম ধওয়লে মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন, তাঁর জায়গায় এসেছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কনীনিকা। গঠিত হয়েছে মহিলা সমিতির নতুন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিও। সেই কমিটিতে এ রাজ্য থেকে আছেন দেবলীনা হেমব্রম, জাহানারা খান, মোনালিসা সিন্হা, আত্রেয়ী গুহ, রমা বিশ্বাস, দীপু দাস, সোমা দাস, ঈশিতা মুখোপাধ্যায়, মণি থাপা, পারমিতা সেন রায়, সিক্তা জোয়ারদার, সুপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। তিন দিনের সম্মেলনে আলোচনার শেষে বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মরিয়মের পরামর্শ, ধর্মীয় উন্মাদনার বেষ্টনী থেকে মহিলাদের বার করে আনার জন্য সতর্ক হয়ে কাজ করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, ‘‘মহিলারা বরাবরই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বেশি মাত্রায় যান। এখন সেই প্রবণতা আরও বেড়েছে। তার জন্য তাঁদের প্রতি আমাদের রাগ বা বিরক্তি দেখানো উচিত নয়। তাঁদের উপেক্ষা করাও চলে না। ধর্মীয় বিশ্বাসে আমরা আঘাত করতে পারি না। আবার ঠিক তেমনই এই প্রবণতাকে বৈধতা দেওয়াও উচিত নয়।’’ মরিয়মের সংযোজন, ‘‘সহনশীল হয়ে এর মোকাবিলা করতে হবে আমাদের।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে