UPSC Examination

সমনামে বিভ্রাট! ইউপিএসসি-র ফলপ্রকাশ হতে বিহারের রঞ্জিতকে সংবর্ধনা দিলেন বিধায়ক, পরে জানা গেল তিনি পাশই করেননি

রঞ্জিতের ‘পাশ‌’ করার খবর সংবাদমাধ্যমের কাছেও পৌঁছোয়। সংবাদমাধ্যমকে তিনি সাক্ষাৎকারও দেন। কী ভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়াশোনা করে এই সাফল্য পেয়েছেন, সেই কাহিনিও তুলে ধরেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৬:২৫
Share:

বিহারের শেখপুরার ইউপিএসসি-র পরীক্ষার্থী রঞ্জিত কুমার। ছবি: সংগৃহীত।

তিনি বিহারের শেখপুরার রঞ্জিত কুমার। ইউপিএসসি-র পরীক্ষার্থী। সম্প্রতি ফলপ্রকাশ হতেই রঞ্জিত দাবি করেন, মেধাতালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। আর সেই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তাঁর পাড়া, মহল্লা এবং জেলা জুড়ে। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে রঞ্জিতকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। শেখপুরার বিধায়ক নিজে রঞ্জিতের বাড়িতে আসেন। তাঁকে সংবর্ধিত করা হয়। গ্রামে মিষ্টি বিতরণও হয়।

Advertisement

রঞ্জিতের ‘পাশ‌’ করার খবর সংবাদমাধ্যমের কাছও পৌঁছোয়। সংবাদমাধ্যমকে তিনি সাক্ষাৎকারও দেন। কী ভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়াশোনা করে এই সাফল্য পেয়েছেন, সেই কাহিনি তুলে ধরেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে আলাদা করে রঞ্জিতের জন্য সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। কিন্তু গ্রামবাসীদের কয়েক জন ইউপিএসসি-র তালিকা খতিয়ে দেখেন। তখনই তাঁদের সন্দেহ হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, ৪৪০ নম্বরে যে রঞ্জিতের নাম রয়েছে, তিনি আসলে শেখপুরার রঞ্জিত নন। ওই র‌্যাঙ্কের দাবিদার রঞ্জিতকুমার আর। তাঁর বাড়ি কর্নাটকে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রঞ্জিতকে স্থানীয় থানায় ডেকে পাঠানো হয়। তবে স্থানীয়েরা জানিয়েছেন, আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রঞ্জিত বেপাত্তা। তাঁর ফোনও বন্ধ। রঞ্জিতের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দু’দিন আগেই উত্তরপ্রদেশে শিখা গৌতম নামে এক ইউপিএসসি পরীক্ষার্থীর একই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। যদিও শিখা দাবি করেছেন, তিনি প্রথম নাম দেখেই ভেবেছিলেন পরীক্ষায় পাশ করেছেন। পদবি আর রোল নম্বর দেখেননি। আর এখানেই গন্ডগোল হয়। এর জন্য তিনি পরে ক্ষমাও চান।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement