National News

চুল ধরে দিল্লির রাস্তায় তরুণীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী!

কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন অশোকনগরের তরুণী। তখন সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই জ্যোতিনগরে একটি দরজির দোকানে কাজ করেন তিনি।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০১৭ ১৭:৩৬
Share:

প্রতীকী ছবি।

রাস্তা দিয়ে এক তরুণীকে হিড়হিড় করে চুল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে দুই বাইকআরোহী। তরুণী প্রাণপণ নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছেন। আর চিত্কার করে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন। মাথা কেটে ঝরঝর করে রক্ত পড়ছে, মুখও ফেটে গিয়েছে। প্রায় ১০০ মিটার ওই ভাবে তরুণীকে টেনে নিয়ে যাওয়ার পর বাইকআরোহীরা ওই তরুণীকে ছেড়ে দেয়। গত বুধবার সন্ধ্যায় এমন দৃশ্যই ধরা পড়ল উত্তর-পূর্ব দিল্লির লোনি রোডে।

Advertisement

কী হয়েছিল?

আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ৬ পুলিশ খুন করে দেহ বিকৃত করল জঙ্গিরা

Advertisement

কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন অশোকনগরের তরুণী। তখন সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই জ্যোতিনগরে একটি দরজির দোকানে কাজ করেন তিনি। বাড়ি থেকে কর্মস্থলের দূরত্ব খুব একটা বেশি না হওয়ায় প্রতি দিনের মতো সে দিনও রাস্তা দিয়ে হেঁটে ফিরছিলেন তিনি। কোনও দিন নিরাপত্তার অভাব বোধ করেননি। কিন্তু, তাঁর ধারণা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। দোকান থেকে সবে কিছু দূর এগিয়েছেন, তখনই দুই বাইকআরোহী ঝড়ের বেগে এসে তরুণীর সামনে দাঁড়ায়। তার পরই তাঁর হাতে থাকা মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ওই তরুণী মোবাইলটি দিতে না চাইলে বাইক চালিয়ে তাঁর চুল ধরে টানতে টানতে নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। তরুণী বলেন, “মুখ-মাথা ফেটে রক্ত পড়ছিল। ছেড়ে দেওয়ার জন্য বার বার ছিনতাইকারীদের অনুরোধ করছিলাম। কিন্তু টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেতে থাকল।” তিনি আরও জানান, রাস্তায় তখন খুব একটা লোক ছিল না। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছিল ছিনতাইকারীরা। এক জন তরুণীকে রাস্তা দিয়ে দুই যুবক টেনে নিয়ে যাচ্ছে এমন দৃশ্য দেখে প্রথমে বুঝে উঠতে পারেননি পথচারীরা। যখন বুঝতে পারলেন, তত ক্ষণে ওই ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে এক জনকে ধরে ফেলেন তাঁরা। অন্য জন পালায়। এর পর শুরু হয় উত্তম-মধ্যম। পরে পুলিশ এসে ওই ছিনতাইকারীকে ধরে নিয়ে যায়। তবে এত চেষ্টা করেও ছিনতাইকারীরা তরুণীর মোবাইলটা নিতে পারেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ছিনতাইকারীর নাম সাগর। সে পূর্ব দিল্লিতে থাকে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চুরির অভিযোগও রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement