Dowry Death

ত্বিশার পর বিশাখা! পণের জন্য মারধর চিকিৎসক স্বামীর, গোপন ক্যামেরায় নজরদারি! বিয়ের দেড় মাসের মধ্যে মৃত্যু তরুণীর

পুলিশ সূত্রে খবর, ঠাণের বাসিন্দা বিশাখা। শ্বশুরবাড়ি থেকে মঙ্গলবার তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। গত ৩০ এপ্রিল নিতিন তিলকরের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বিশাখার।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ ১৬:৫১
Share:

বিশাখা তিলকর। ছবি: সংগৃহীত।

ত্বিশা শর্মার পর এ বার বিশাখা তিলকর। আবার পণের দাবিতে অত্যাচারের অভিযোগ উঠল তরুণীর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। বিয়ের দেড় মাসের মধ্যে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বিশাখার। আর এই ঘটনাই স্মৃতি উস্কে দিয়েছে ভোপালের ত্বিশার রহস্যমৃত্যুর।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, ঠাণের বাসিন্দা বিশাখা। শ্বশুরবাড়ি থেকে মঙ্গলবার তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। গত ৩০ এপ্রিল নিতিন তিলকরের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বিশাখার। পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের কয়েক দিন পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁকে পণের জন্য চাপ দেওয়া শুরু করেন। বিশাখার স্বামী পেশায় চিকিৎসক। অভিযোগ, বিশাখাকে সব সময় সন্দেহ করতেন তাঁর স্বামী। কার সঙ্গে কথা বলছেন, কোথায় যাচ্ছেন— সব নজরদারি চালাতেন। শুধু তা-ই নয় আরও অভিযোগ, বাড়িতে বিশাখা কী করছেন, তা নজরে রাখার জন্য গোপন ক্যামেরাও লাগিয়েছিলেন নিতিন।

পরিবারের অভিযোগ, বিশাখাকে টাকা এবং গয়নার জন্য চাপ দেওয়া হত। পরিবারের অভিযোগ, প্রায় দিনই তাঁকে মারধর করতেন নিতিন। এই কাজে সহযোগিতা করতেন বিশাখার শাশুড়ি ছায়া এবং দেওর নিনাদ। তিন জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, বিশাখা যদি প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথাও বলতেন, তাঁকে মারধর করা হত। বিশাখার এক আত্মীয়ের দাবি, অত্যাচারের কথা বাপের বাড়িতে জানিয়েছিলেন বিশাখা। তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়টিও ঠিক হয়ে গিয়েছিল। মঙ্গলবারই তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিনই তাঁর মৃত্যুর খবর পান বিশাখার বাবা-মা। তার পরই বিশাখার স্বামী, শাশুড়ি এবং দেওরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে তাঁর পরিবার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়।

Advertisement

গত মাসের ভোপালের তরুণী ত্বিশার মৃত্যু ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তাঁকে পণের জন্য খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। ত্বিশার মৃত্যু কী ভাবে, তা নিয়ে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টেও মামলা গড়িয়েছে। ত্বিশার স্বামী এবং শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। তার মধ্যেই পণের দাবিতে অত্যাচারের ঘটনায় আরও এক তরুণীর মৃত্যু প্রকাশ্যে এল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement