Job Scam

ভুয়ো চাকরির টোপ দিয়ে ভারতীয়দের বিদেশে পাচারের নেপথ্যেও পাকিস্তানি যোগ! বৃদ্ধি করা হচ্ছে তদন্তের পরিধি

এই চক্রটি মূলত উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, মুম্বই, তেলঙ্গানা এবং কেরলে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। নতুন এই তথ্যগুলি উঠে আসার পরে তদন্তের পরিধি আরও বৃদ্ধি করেছে সিবিআই এবং এনআইএ-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:১১
Share:

চাকরির টোপ দিয়ে বিদেশে পাচারকাণ্ডের তদন্তে উঠে এল পাকিস্তানি যোগ! — প্রতীকী চিত্র।

ভুয়ো চাকরির টোপ দিতে বিদেশে পাচারের তদন্তেও এ বার উঠে এল পাকিস্তানি যোগ। চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতীয়দের কম্বোডিয়ায় নিয়ে গিয়ে সে দেশে বন্দি করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করানোর অভিযোগ আগেই উঠে এসেছে। সেই অভিযোগের তদন্তের সূত্র ধরেই এ বার পাকিস্তানি যোগের সন্ধান মিলল। অভিযোগ, প্রায় কয়েকশো ভারতীয়কে ভুয়ো চাকরির টোপ দিয়ে ফাঁদে ফেলেছেন প্রতারণাচক্রের কিছু পাকিস্তানি এজেন্ট।

Advertisement

চাকরির টোপ দিয়ে বিদেশে পাচারের এই চক্রের বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২৪ সালে। প্রায় পাঁচ হাজার ভারতীয়কে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে কম্বোডিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তার পরে তাঁদের বন্দি করে বিভিন্ন সাইবার অপরাধে জোর করে যুক্ত করা হয়েছিল। পরে তাঁদের মধ্যে অনেককেই ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ফিরে আসার পরে অনেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের জানিয়েছেন যে পাকিস্তানি এজেন্টদের মারফত তাঁদের নিয়োগ করা হয়েছিল।

চাকরির টোপ দিয়ে ভারতীয়দের কম্বোডিয়ায় পাচারের ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্তকারীদের এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানাচ্ছে, “অনেক ভারতীয়কেই নিয়োগ করেছিল পাকিস্তানি এজেন্টেরা। দেশে ফিরে আসার পরে বেশ কয়েক জন প্রতারিত ব্যক্তি এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকদের।” ওই সূত্রের আরও দাবি, বিভিন্ন চ্যাট, ফোনকলের আইপি এবং অন্য ডিজিটাল নথিও বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। তাতেও পাকিস্তানি যোগসূত্রের দিকেই ইঙ্গিত মিলেছে।

Advertisement

সূত্রের দাবি, বিভিন্ন আইপি অ্যাড্রেসও ফরেন্সিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেগুলির সঙ্গেও পাকিস্তানের সার্ভার এবং সে দেশের হ্যান্ডলারদের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। এই চক্রটি মূলত উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, মুম্বই, তেলঙ্গানা এবং কেরলে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। নতুন এই তথ্যগুলি উঠে আসার পরে তদন্তের পরিধি আরও বৃদ্ধি করেছে সিবিআই এবং এনআইএ-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement