Operation Trashi-I

জম্মুতে সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজে এখনও চলছে সেনা অভিযান! পাহাড়ি জঙ্গলে আত্মগোপন করে রয়েছে জঈশ জঙ্গিরা

পাহাড়ের যে এলাকায় জঙ্গিরা আত্মগোপন করে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেই অঞ্চলটি গভীর জঙ্গলে ঢাকা। ওই এলাকায় পাহাড়ের ঢালও যথেষ্ট খাড়া। রাতের অন্ধকারে দৃশ্যমানতাও কমে আসে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রবিবার বেশি রাতের দিকে অভিযান স্থগিত রাখা হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৪৮
Share:

জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযান। —ফাইল চিত্র।

জম্মু ও কাশ্মীরের কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের খোঁজে এখনও চলছে সেনার অভিযান। সোমবার জঙ্গিনিধন অভিযানের দ্বিতীয় দিন। রবিবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত জঙ্গিদের সঙ্গে দফায় দফায় গুলির লড়াই চলেছে ভারতীয় সেনার। বোমার স্‌প্লিন্টারে জখম হয়েছেন অন্তত আট জওয়ান। কিশ্তওয়ারের ওই পাহাড়ি জঙ্গলে এখনও জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করছেন সেনা জওয়ানেরা।

Advertisement

কিশ্তওয়ারের সিংপোরা এলাকায় সোনার গ্রামে জঙ্গলের মধ্যে জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছে বলে রবিবার খবর পায় সেনা। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে নামে ভারতীয় সেনার হোয়াইট নাইট্‌স কর্প্‌স। শুরু হয় ‘অপারেশন ত্রাশি-ওয়ান’। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে জঙ্গলের মধ্যে জঙ্গিদের গোপন আস্তানার খোঁজে তল্লাশি শুরু করে সেনা। জওয়ানদের দেখতে পেয়ে কয়েক জন জঙ্গি এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। গ্রেনেড হামলাও করে। অতর্কিত ওই গ্রেনেড হানায় রবিবার রাতে জখম হন ভারতীয় সেনার অন্তত আট জন জওয়ান। জানা যাচ্ছে, বোমার স্‌প্লিন্টারের আঘাতে জখম হয়েছেন তাঁরা।

পাহাড়ের যে এলাকায় জঙ্গিরা আত্মগোপন করে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেই অঞ্চলটি গভীর জঙ্গলে ঢাকা। ওই এলাকায় পাহাড়ের ঢালও যথেষ্ট খাড়া। রাতের অন্ধকারে দৃশ্যমানতাও কমে আসে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে রবিবার বেশি রাতের দিকে অভিযান স্থগিত রাখা হয়। পরে সোমবার সকাল থেকে ফের জঙ্গিদের খোঁজে অভিযান শুরু করে ভারতীয় সেনা। সন্দেহ করা হচ্ছে, ওই জঙ্গলের মধ্যে এখনও জঙ্গিরা লুকিয়ে থাকতে পারে। তবে সোমবার সকাল থেকে নতুন করে কোনও সংঘর্ষের খবর মেলেনি।

Advertisement

আধিকারিক সূত্রে পিটিআই জানাচ্ছে, জঙ্গলের মধ্যে দুই-তিন জন জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তারা পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জঈশ-এ-মুহাম্মদ-এর সদস্য বলে সন্দেহ সেনার। সোমবার দিনের আলো ফোটার পর থেকেই অভিযান শুরু হয়। রবিবারের মতো সোমবারই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে সেনা, আধাসেনা (সিআরপিএফ) এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। জঙ্গিদের খুঁজতে ড্রোন এবং সেনার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরেরও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement