Twisha Sharma Death

ত্বিশার মৃত্যু কী ভাবে, ঘটনার পুনর্নির্মাণে এ বার ‘টানেল ভিউ’ পদ্ধতি ব্যবহার সিবিআইয়ের

ত্বিশার মৃত্যুর আগের প্রতিটি মুহূর্ত ডিজিটালি পুনর্নির্মাণ করার কাজ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। সে দিন রাতে ঠিক কী ঘটেছিল যার জন্য ত্বিশার মৃত্যু হল, এখন এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১১:৩৩
Share:

ত্বিশা শর্মা। ছবি: সংগৃহীত।

ভোপালের তরুণী ত্বিশা শর্মার শেষ মুহূর্তগুলি কেমন ছিল, তাঁর মৃত্যুই বা কী ভাবে, সেই ঘটনার পুনর্নির্মাণে এ বার ‘টানেল ভিউ’ পদ্ধতি ব্যবহার করছে সিবিআই। প্রসঙ্গত, ত্বিশার মৃত্যুর পর ১৭ দিন কেটে গিয়েছে, তার পরেও বেশ কিছু প্রশ্ন থেকেই গিয়েছে। আর সেই সব প্রশ্ন এবং ধোঁয়াশা কাটাতে এ বার এই অত্যাধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

Advertisement

ত্বিশার মৃত্যুর আগের প্রতিটি মুহূর্ত ডিজিটালি পুনর্নির্মাণ করার কাজ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। সে দিন রাতে ঠিক কী ঘটেছিল যার জন্য ত্বিশার মৃত্যু হল, এখন এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আর সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ‘টানেল ভিউ’ পদ্ধতির মাধ্যমে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করছে সিবিআই। তদন্তকারীরা আশা করছেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনেক কিছুই পরিষ্কার হবে এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। শুধু তা-ই নয়, সূত্রের খবর, ত্বিশার সঙ্গে কোনও জোরজবরদস্তি হয়েছিল কি না, বা এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল কি না ঘটনার ডিজিটালি পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে তদন্তকারীদের কাছে তা স্পষ্ট হবে।

কী এই ‘টানেল ভিউ’ পদ্ধতি?

Advertisement

এটি হল কোনও অপরাধের তদন্তের একটি অত্যন্ত উন্নত ডিজিটাল পদ্ধতি। এই পদ্ধতির সাহায্যে গোয়েন্দারা সিসিটিভি ফুটেজ, ফোনের কল রেকর্ড, ইন্টারনেটে কার্যকলাপ, স্মার্ট ডিভাইসের তথ্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ একত্রিত করে অপরাধের শেষ মুহূর্তগুলো ডিজিটালি পুনর্নির্মাণ করেন। ত্বিশার ক্ষেত্রেও তাই করা হচ্ছে।

তদন্তকারীরা বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য— যেমন সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল কল রেকর্ড, ওয়াই-ফাই লগ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের ইতিহাস— একসঙ্গে জড়ো করেন। তার পর সেগুলি ক্রমানুসারে সাজানো হয়। অপরাধের সময় ঠিক কী ঘটেছিল, সেগুলি তদন্তকারীদের ধরতে সাহায্য করে এই পদ্ধতি।

প্রসঙ্গত, ত্বিশার মৃত্যুতে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর শাশুড়ি গিরিবাল সিংহ। মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট তাঁর আগাম জামিন খারিজ করতেই সিবিআই পৌঁছে যায় গিরিবালার ভোপালের বাড়িতে। দীর্ঘ ক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এর আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল ত্বিশার স্বামী সমর্থকে। কিন্তু গিরিবালা নিম্ন আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে রেখেছিলেন। নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা করা হয়। তার পরই হাই কোর্ট গিরিবালার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে। গত ১২ মে শ্বশুরবাড়িতে ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement