চার্জে রাখা মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে এই কাণ্ড!

শিশুটির বাঁ চোখের মণিটা ফেটে গিয়েছে। কর্নিয়াটা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছে তার ডান চোখের। ডান হাতটা মারাত্মক ভাবে পুড়ে গিয়েছে। পুড়ে গিয়েছে মুখেরও অনেকটা অংশ। শিশুটিকে নিয়ে কার্যত, যমে-মানুষে লড়াই চলছে চেন্নাইয়ের অদূরে, একটি হাসপাতালে। ন’বছরের ছেলেটিকে প্রায় মেরেই ফেলেছিল একটা মোবাইল!

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১৯:১৫
Share:

শিশুটির বাঁ চোখের মণিটা ফেটে গিয়েছে। কর্নিয়াটা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছে তার ডান চোখের। ডান হাতটা মারাত্মক ভাবে পুড়ে গিয়েছে। পুড়ে গিয়েছে মুখেরও অনেকটা অংশ। শিশুটিকে নিয়ে কার্যত, যমে-মানুষে লড়াই চলছে চেন্নাইয়ের অদূরে, একটি হাসপাতালে।

Advertisement

ন’বছরের ছেলেটিকে প্রায় মেরেই ফেলেছিল একটা মোবাইল! আবার দুর্ঘটনার জন্য দায়ী মোবাইল।

হয়েছিলটা কী?

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, মোবাইলটিতে তখন চার্জ দেওয়া হচ্ছিল। সেই সময়েই ওই মোবাইলে একটি ফোন এসে যায়। শিশুটি তড়িঘড়ি গিয়ে মোবাইলটি হাতে নিয়ে কথা বলতে শুরু করার কিছু ক্ষণের মধ্যেই সশব্দে ফেটে যায় মোবাইলটি। দুম করে ফেটে যাওয়ার শব্দের সঙ্গে সঙ্গেই শোনা যায় শিশুটির আর্ত চিৎকার। শিশুটির নাম ধনুষ। ঘটনাটা ঘটেছে চেন্নাইয়ের ৮৬ কিলোমিটার দূরে মাদুরান্টাকমে, গত সপ্তাহে।

শিশুটিকে যে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে, তার প্রধান চিকিৎসক ওয়াহিদা নাজির জানিয়েছেন, ‘‘মোবাইলটা এত জোরে ফেটেছে, যার জেরে শিশুটির বাঁ চোখের মণিটা তো ফেটে গিয়েছেই, ডান চোখের কর্নিয়াটাও পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে। তার মুখের অনেকটা অংশ পুড়ে গিয়েছে। ডান হাতটাও মারাত্মক ভাবে পুড়ে গিয়েছে। তিন সপ্তাহের আগে ওকে হাসাপাতাল থেকে ছাড়া যাবে না।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement