(বাঁ দিকে) নরেন্দ্র মোদী এবং রাহুল গান্ধী (ডান দিকে)।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন অসমে এসে বিজেপির ডবল ইঞ্জির সরকারের প্রশংসা ও উত্তর-পূর্বের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যস্ত, তখনই অশান্ত মণিপুর নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে মোদীকে মণিপুরের বিমানের টিকিট পাঠিয়ে কংগ্রেসের তরফে বলা হল, ‘অসম থেকে মণিপুরের দূরত্ব মাত্র এক ঘণ্টা। সেখানে ফের অশান্তি ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বারবার ‘পিএম কেয়ার’-এর স্লোগান দেওয়া প্রধানমন্ত্রী একটি বার সেখানে গেলে মানুষ অনেক ভরসা পাবেন’।
মণিপুরের উখরুলে নাগা ও কুকিদের মধ্যে গত কয়েক দিন ধরে চলছে অশান্তি। উত্তেজনা ছড়িয়েছে পার্শ্ববর্তী নাগাল্যান্ডেও। এই অবস্থায় নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গ্রাম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের আয়োজন করে আসাম রাইফেলস। সেখানে একটি গঠনমূলক মঞ্চ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। দুই পক্ষই শান্তি বজায় রাখতে সহযোগিতার আশ্বাস দেয়।
এই পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ও উখরুলে জ্বলতে থাকা ঘরবাড়ির ছবি এক্স-এ আপলোড করে কংগ্রেসের প্রচার শাখার চেয়ারম্যান পবন খেরা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে লেখেন, ‘ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে যাওয়া মোদীর অগ্রাধিকার হলেও মণিপুরকে তাঁর অবহেলা করা উচিত নয়। ২০২৩ সাল থেকে মণিপুর অশান্ত এবং আবারও সেখানে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই অসমে রয়েছেন এবং সেখান থেকে বিমানে মণিপুর মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে। মোদী সেখানে গেলে রাজ্যের মানুষ আশ্বস্ত হবেন’। খেরা মোদীকে লেখেন, ‘আপনার কষ্ট লাঘব করতে আমরাই আপনার জন্য গুয়াহাটি থেকে ইম্ফলগামী বিমানে টিকিট বুক করে দিয়েছি। আপনাকে শুধু বিমানে উঠে বসতে হবে। যে হেতু আমার কাছে আপনার ফোন নম্বর নেই, তাই এখানেই টিকিট আপলোড করে দিলাম’।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে