Rahul- Priyanka

মোদীর ‘আপস’ নিয়ে গলা চড়াল কংগ্রেস

সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই সংসদ ভবনের মকর দ্বারে সাসপেন্ড হয়ে থাকা সাংসদদের সঙ্গে প্রিয়ঙ্কা ধর্নায় বসেছিলেন। স্লোগান ওঠে, ‘নাম নরেন্দর, কাম সারেন্ডার’।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫৫
Share:

(বাঁ দিকে) রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

‘নাম নরেন্দর, কাম সারেন্ডার’! ‘পিএম ইজ় কমপ্রোমাইজ়ড’! অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আপস করে ফেলেছেন! বুধবার লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন সংসদের ভিতরে-বাইরে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা এই সুরেই নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করলেন।

আজ সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই সংসদ ভবনের মকর দ্বারে সাসপেন্ড হয়ে থাকা সাংসদদের সঙ্গে প্রিয়ঙ্কা ধর্নায় বসেছিলেন। স্লোগান ওঠে, ‘নাম নরেন্দর, কাম সারেন্ডার’। তার পরে লোকসভার ভিতরেও পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার দাবি, ইরানে হামলা নিয়ে কেন প্রধানমন্ত্রী চুপ, তা নিয়ে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা শোরগোল করে সংসদ অচল করেন। সেখানেও স্লোগান ওঠে ‘নাম নরেন্দর, কাম সারেন্ডার’।

লোকসভার স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বিজেপির মূল নিশানা ছিলেন রাহুল গান্ধী। বুধবারও রবিশঙ্কর প্রসাদ বিরোধী নেতা হিসেবে রাহুলের ভূমিকার সমালোচনা করেন। বলেন, রাহুল গান্ধীকে নিজের মর্জিমাফিক সংসদে যা খুশি বলতে দেওয়া হয়নি বলেই কংগ্রেস স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে। রাহুল তার জবাবে ফের আপসের প্রশ্নই তোলেন। লোকসভায় তিনি বলেন, ‘‘আমার নাম বারবার তোলা হচ্ছে। এখানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সংসদ দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, কোনও একটা দলের নয়। আমরা, বিরোধীরা বলতে গেলেই বাধা দেওয়া হয়। শেষ বার আমি প্রধানমন্ত্রীর আপস করা নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন তুলেছিলাম। আমাকে বলতে দেওয়া হয়নি। ইতিহাসে প্রথম বার লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে একটি বিতর্কে বলতেই দেওয়া হয়নি।’’

বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্বে রাহুল অভিযোগ তুলেছিলেন, প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ নরবণে তাঁর অপ্রকাশিত বইয়ে লিখেছেন যে, চিনের সেনা ভারতে ঢুকে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। তাঁর দাবি ছিল, আমেরিকার হাতে থাকা এপস্টিন ফাইল এবং গৌতম আদানিকে আমেরিকার বিচার বিভাগের সমনের চাপে মোদী বাণিজ্য চুক্তিতে আপস করে ফেলেছেন। আজ রাহুল ফের সে কথা মনে করিয়ে বলেন, ‘‘আমি প্রধানমন্ত্রীর আপসের প্রশ্ন তুলছিলাম। নরবণের বই, এপস্টিন, আদানির প্রসঙ্গ তুলেছিলাম। তাই আমার মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপস করে ফেলেছেন। তার ফল কী, গোটা দেশের মানুষ জানে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন