রাহুল গান্ধী। —ফাইল চিত্র।
পাঁচ বছর আগে পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে মুখ বদল করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু তার পরেও পঞ্জাব কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়েছিল। এ বার ২০২৮-এর কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের আগে সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের মুখ বদল করে হাইকমান্ড আশা করছে, আগামী বিধানসভা ভোটে সরকার ধরে রাখা যাবে। একই সঙ্গে আগামী বছর পঞ্জাবের ভোটে আম আদমি পার্টিকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসার রণকৌশল নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা শুরু হয়েছে। গত কাল রাত থেকে আজ সারা দিন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খড়্গে-সহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা দফায় দফায় এক বার কর্নাটকের মন্ত্রিসভার গঠন নিয়ে আলোচনা করেছেন, অন্য দিকে পঞ্জাবের প্রদেশ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। কংগ্রেসের ভোটকুশলী সুনীল কানুগোলু কংগ্রেস সভাপতি খড়্গের বাড়িতে গিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন।
কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ডি কে শিবকুমার আগামিকাল শপথ নেবেন। তাঁর সঙ্গে শপথ নেবেন দশ জন মন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর গদি থেকে বিদায় নেওয়া সিদ্দারামাইয়ার পুত্র যতীন্দ্র মন্ত্রী হচ্ছেন। সিদ্দারামাইয়াকে আজ রাতেই কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যপদে নিযুক্ত করেছেন খড়্গে। তবে শিবকুমারের সরকারে কত জন উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে টানাপড়েন চলেছে। শিবকুমার কোনও উপমুখ্যমন্ত্রী না চাইলেও দলিত নেতা জি পরমেশ্বর উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে সূত্রের খবর।
অন্য দিকে, পঞ্জাবে কংগ্রেস কেরলের মতো দলের নেতাদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করতে চাইছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে অমরিন্দর সিংহ রাজা ওয়ারিংকে সরিয়ে বিজয় ইন্দর সিংলাকে প্রদেশ সভাপতি করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও এআইসিসি-তে পঞ্জাবের ভারপ্রাপ্ত নেতা ভূপেশ বঘেল দাবি করেছেন, কংগ্রেসের নেতৃত্ব বদল হবে না। তবে কার নেতৃত্বে পঞ্জাব কংগ্রেস ভোটে লড়বে, তা নিয়ে বঘেলের মন্তব্য, রাহুল গান্ধী-মল্লিকার্জুন খড়্গের নেতৃত্বে পঞ্জাবের নেতারা এককাট্টা হয়ে ভোটে লড়বেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে