— প্রতীকী চিত্র।
গলওয়ানের পরে নতুন করে ভারত-চিন বিরোধের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে শাক্সগাম উপত্যকাকে কেন্দ্র করে। এই আবহে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) এসে বৈঠক করে গেল বিজেপি ও আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। তারপরেই সরকারের চিনের সঙ্গে নীতি ঠিক কী তা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জানিয়ে সরব বয়েছে কংগ্রেস। তাৎপর্যপূর্ণ হল, আজ দুপুরে কংগ্রেসের বিদেশ বিভাগের প্রধান সলমন খুরশিদ-সহ দলের একাধিক নেতার সঙ্গে বৈঠক করে চিনের প্রতিনিধি দলটি।
গত কাল সন্ধ্যায় প্রথমে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ভাইস মিনিস্টার সান হাইওয়ানের নেতৃত্বাধীন সিপিসি দলটি। বিজেপির সদর দফতরে প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক হয়। বিজেপির দাবি, নিছকই সৌজন্য বৈঠক। দলের সঙ্গে দলের আদানপ্রদানের লক্ষ্যেই ওই বৈঠক। লাদাখের গলওয়ানের সীমান্ত সমস্যা ভাল করে মেটার আগেই সিয়াচেন সংলগ্ন শাক্সগম উপত্যকায় চিনের পরিকাঠামো নিয়ে আপত্তি জানিয়ে সরব হয়েছে ভারত। সেই আবহে বিজেপি ও আরএসএসের সঙ্গে চিনের ওই দলটির বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। আজ সকালে চিনের প্রতিনিধি দলটি দিল্লিতে আরএসএসের দফতর কেশব কুঞ্জে দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা দত্তাত্রেয় হোসবলের সঙ্গে বৈঠক করেন। আরএসএস নেতৃত্বের দাবি, সঙ্ঘের নেতারা সকলের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন।
শাসক শিবিরের চিনের কাছাকাছি আসাকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, ‘‘যারা এক সময়ে চিনকে লাল চোখ দেখাত, তারা এখন লাল কার্পেট পেতে দিচ্ছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের বলা হত কংগ্রেস চিনের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে। এখন সেই বিজেপিই বৈঠক করছে।’’
জবাবে আজ বিজেপি মুখপাত্র তুহিন সিন্হা বলেন, ‘‘ডোকলামে যখন দু’দলের সেনা যুদ্ধং দেহি অবস্থানে দাঁড়িয়ে, তখন রাহুল গান্ধী চিনা দূতাবাসে গিয়ে আতিথ্য নিয়েছেন। দু’দেশের সম্পর্ক আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। তাই মতের আদানপ্রদান হচ্ছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে