Budget 2026

পশ্চিম এশিয়া নীতিতে বিভেদ কংগ্রেসে, উৎসাহিত বিজেপি

সদ্য শেষ হওয়া বাজেট অধিবেশনে সরকারের পশ্চিম এশিয়া নীতি, যুদ্ধের অস্থিরতার কারণে দেশ জুড়ে গ্যাসের সঙ্কট প্রশ্নে বারংবার সংসদের ভিতরে ও বাইরে সরব হতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৫২
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

নরেন্দ্র মোদী সরকারের পশ্চিম এশিয়া নীতি ক্রমশ বিভাজন বাড়াচ্ছে কংগ্রেসের অভ্যন্তরে। শশী তারুর, মণীশ তিওয়ারির পরে এ বার সরকারের পশ্চিম এশিয়া নীতির সমর্থনে সরব হলেন আনন্দ শর্মা, কমলনাথের মতো বর্ষীয়ান নেতারা। এতে রাহুল গান্ধী ঘনিষ্ঠ শিবির অসন্তুষ্ট হলেও, বিজেপি নেতৃত্ব উৎসাহিত।

সদ্য শেষ হওয়া বাজেট অধিবেশনে সরকারের পশ্চিম এশিয়া নীতি, যুদ্ধের অস্থিরতার কারণে দেশ জুড়ে গ্যাসের সঙ্কট প্রশ্নে বারংবার সংসদের ভিতরে ও বাইরে সরব হতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের। বিরোধীদের আক্রমণে গোড়ায় মোদী সরকার অস্বস্তিতে পড়লেও, যে ভাবে একের পর এক কংগ্রেস নেতা সরকারের নীতির সমর্থনে মুখ খুলেছেন তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস বিজেপি শিবিরে। আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের যৌথ আক্রমণে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে কেন সরকার ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানায়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হন রাহুল গান্ধীরা। সরকারের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংবাদমাধ্যমে প্রবন্ধ লেখেন সনিয়া গাঁধী। কিন্তু দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে কংগ্রেস নেতা শশী, তারুর মণীশ তিওয়ারিরা প্রকাশ্যে জানান, সরকার যে নীতি নিয়ে এগোচ্ছেতা সঠিক।

দুই শীর্ষ নেতার ওই বক্তব্য এমনিতেই অস্বস্তিতে ফেলেছিল কংগ্রেসকে। এ বার আনন্দ শর্মা ও কমলনাথের মতো নেতারাও সরকারের সমর্থনে সুর চড়িয়েছেন। রাহুল যেখানে সরকারের পশ্চিম এশিয়া কূটনীতি সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলে দাবি করে সরব, তখন আনন্দ শর্মার কথায়, ‘‘পশ্চিম এশিয়া সংঘাতের বিষয়টি ভারত পরিণত ভাবে ও দক্ষতার সঙ্গে সামলেছে।’’ এই অস্থির সময়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলিকে এক হয়ে সরকারের পাশে দাঁড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। মধ্যপ্রদেশের আর এক প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কমলনাথও সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন দেশে রান্নার গ্যাসের কোনও ঘাটতি নেই। যা হচ্ছে সব অপপ্রচার। অথচ, পশ্চিম এশিয়া সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশে রান্নার গ্যাসের ঘাটতি দেখা গিয়েছে বলে সরব রয়েছেন রাহুল গান্ধীরা। ঘাটতি যে রয়েছে তা প্রকারান্তরে মেনেও নিয়েছে সরকার। কিন্তু কমলনাথ উল্টে সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘‘কোথাও কোনও রান্নার গ্যাসের ঘাটতি নেই। ঘাটতি রয়েছে বলে প্রচার চালিয়ে পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।’’

কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মতানৈক্যকে হাতিয়ার করে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, ‘‘এখন তো কমলনাথ, আনন্দ শর্মার মতো নেতারা বলছেন দেশে রান্নার গ্যাস, পেট্রল, ডিজ়েলের কোনও ঘাটতি নেই। যারা এত দিন মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এসেছেন, সেই কংগ্রেস নেতৃত্বের উচিত মানুষের কাছেক্ষমা চাওয়া।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন