প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ইনদওরের ‘বিষাক্ত’ পানীয় জলে মৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মধ্যপ্রদেশের আরও এক জেলা খরগোনে সেই একই আতঙ্ক দেখা দিল। ইতিমধ্যেই ওই জেলার মণ্ডলেশ্বর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ১৪ জন অসুস্থ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। তাঁদের সকলেরই বমি এবং মাথা ঘোরানো, পেটে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
এই ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কারণ, ইনদওরের ঘটনা এখনও টাটকা। সেখানে ‘বিষাক্ত’ পানীয় জলের কারণে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ২০০ জনেরও বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক হাজারেরও বেশি। সেই ইনদওর থেকে ১২৭ কিলোমিটার দূরে আরও এক জেলা খরগোনে এ বার সেই একই আতঙ্ক ছড়াল।
স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মণ্ডলেশ্বরে একের পর এক অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন জেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকেরা। স্বাস্থ্য দফতরের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অসুস্থদের চিকিৎসা করে। ওষুধ দেয়। তহসিলদার সঞ্জয় বাবেল জানিয়েছেন, মণ্ডলেশ্বরের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে খবর আসে পানীয় জলের সঙ্গে নোংরা বার হচ্ছে। সেই খবর পেয়েই পুরো পাইপলাইন পরীক্ষা করা শুরু হয়। পাইপলাইনে কোনও ফাটল আছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত তিন-চার দিনে বেশ কয়েক জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে মেয়র পারিষদ নিতিন পতিদার কার্যত স্বীকার করেছেন, দূষিত জল পান করে ১৪ জন অসুস্থ হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
প্রসঙ্গত, ইনদওরের ভগীরথপুরায় ‘বিষাক্ত’ পানীয় জলের কারণে অনেকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় হুলস্থুল পড়ে গিয়েছিল। পাইপলাইনে ফাটল থাকায় সেখান দিয়ে শৌচাগারের জল পানীয় জলের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তার জেরেই এই দুর্ঘটনা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার আতঙ্ক ছড়াল রাজ্যের আরও এক প্রান্তে।