LPG Price Hike

পড়শি দেশগুলির তুলনায় রান্নার গ্যাস এখনও সস্তা ভারতে! দাবি কেন্দ্রের, কেন দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে তার ব্যাখ্যাও দিল

রান্নার গ্যাসের দাম ঘন ঘন বাড়তে থাকায় উদ্বেগে পরিবারগুলি! তবে গ্যাসের দাম হাজারের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলেও কেন্দ্র কিন্তু দাবি করছে, এ দেশে এখনও সস্তায় দেওয়া হচ্ছে রান্নার গ্যাস।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ১২:৫৯
Share:

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

২৯ টাকা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। ফলে হাজার টাকার দোরগোড়ায় পৌঁছে গেল গেরস্তালির কাজে ব্যবহার্য গ্যাস। এই নিয়ে তিন মাসে দ্বিতীয় বার রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ল। গ্যাসের দাম ঘন ঘন বাড়তে থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে পরিবারগুলির হেঁশেলেও! কিন্তু রান্নার গ্যাসের দাম হাজারের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলেও কেন্দ্র কিন্তু দাবি করছে, এ দেশে এখনও সস্তায় দেওয়া হচ্ছে রান্নার গ্যাস। রবিবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, দেশের পরিবারগুলি এখনও কম দামে রান্নার গ্যাস পাচ্ছে। তুলনায় পড়শি দেশ এবং বহু উন্নত দেশে রান্নার গ্যাসের দাম এ দেশের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

Advertisement

মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় এক জন গ্রাহক ১৪.২ কেজি রান্নার গ্যাস পাচ্ছেন ৬৪২ টাকায়। দিল্লিতে আবার এক জন সাধারণ গ্রাহককে এই সমপরিমাণ গ্যাস সিলিন্ডার কেনার জন্য দিতে হচ্ছে ৯৪২ টাকা। বাস্তবিক ক্ষেত্রে, এই সমপরিমাণ একটি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহে খরচ করতে হচ্ছে ১৬০০ টাকারও বেশি। রবিবার থেকে রান্নার গ্যাসের দাম ২৯ টাকা বেড়ে কলকাতায় হয়ছে ৯৬৮, দিল্লিতে ৯৪২, মুম্বইয়ে ৯৪১.৪০ টাকা। সংবাদসংস্থা এএনআই সরকারি এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক সামরিক সাংঘাতের আবহে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্বালানির দাম হু হু করে বেড়েছে। তারই প্রভাব পড়ছে রান্নার গ্যাসের দামেও।

মন্ত্রক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দামের ওঠানামার সঙ্গে ভারতের পেট্রোপণ্যের দাম ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। কিন্তু তার পরেও সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে পরিবারগুলিকে বেশি গাঁটের কড়ি খরচ করতে না হয়। একটি সিলিন্ডারপিছু যে দাম, গৃহস্থালিতে সেই আঁচ পৌঁছোতে দিচ্ছে না সরকার। যে ভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ছে, তার বোঝা সরকার নিজের কাঁধেই বহন করছে। গ্রাহকের কাছে পৌঁছোতে দিচ্ছে না। দেশের এলপিজি চাহিদার ৬০ শতাংশ আমদানি করা হয় সৌদি কনট্র্যাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী। যা প্রতি মাসে স্থির করে সৌদি আরামকো। পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কট তৈরি হওয়ার আগে প্রতি টন এলপিজির দাম ছিল ৫৩৪ মার্কিন ডলার (সৌদি সিপি অনুযায়ী)। কিন্তু ফেব্রুয়ারি থেকে হরমুজ় প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া এপ্রিলে সেই এলপিজির প্রতি টনের দাম বেড়ে হয় ৭৭৫ মার্কিন ডলার। প্রোপেন ৭৫০ এবং বিউটেন ৮০০ মার্কিন ডলার। জুনে এলপিজির প্রতি টনের দাম বেড়ে হয়েছে ৭৯০ মার্কিন ডলার। জুনের কনট্র্যাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী, একটি ১৪.২ কেজি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার সরবরাহে ১৬০০ টাকা খরচ পড়ছে। কিন্তু সেখানে কেন্দ্র এবং সরকারি তেল সংস্থাগুলি সেই খরচের বেশির ভাগটাই বহন করছে যাতে তার প্রভাব আমজনতার উপর না পড়ে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement