—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
প্রমাণের অভাবে ৩৭ জনকে বেকসুর খালাস করে দিল উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগরের আদালত। গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। মঙ্গলবার মুজফ্ফরনগরের জেলা ও দায়রা আদালত জানিয়েছে, সরকার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ।
আদালতে সরকারি পক্ষের কৌঁসুলি নরেন্দ্র শর্মা জানান, ইমরান নামে এই অভিযোগকারী ১১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ২০১৩ সালের ৮ সেপ্টম্বর একদল জনতা ধারালো অস্ত্র নিয়ে কুতবা গ্রামে হামলা চালিয়েছিল। অভিযোগে এ-ও বলা হয়েছিল, ওই গ্রামের অনেক বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে বিচারক মঞ্জুলা ভালোটিয়া জানান, সরকার পক্ষ আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি।
উল্লেখ্য, ২০১৩-র সেপ্টেম্বরে গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগর, শামলি প্রভৃতি জেলার বিভিন্ন এলাকা। এই সংঘর্ষে নিহত হন প্রায় ৬০ জন। রাতারাতি নিজেদের বাসস্থান ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন হাজার হাজার মানুষ। গোষ্ঠী সংঘর্ষ চলাকালীন মুজফ্ফরনগর জেলার ফুগানা থানার বাহাওডি গ্রামে অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার ১২ বছর পর ৩৭ জনকে বেকসুর খালাস করে দিল আদালত।