1984 Anti-Sikh Riots

’৮৪-র শিখবিরোধী হিংসার একটি মামলায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদকে বেকসুর খালাস করল দিল্লির আদালত

বৃহস্পতিবার রাউস অ্যাভিনিউ আদালত বিশেষ বিচারক বিনয় সিংহ দিল্লির প্রাক্তন সাংদকে বেকসুর খালাসের রায় দেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘‘১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর সেই ঘটনাস্থলে সজ্জন উপস্থিত ছিলেন তার কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি।’’

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫৮
Share:

প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সজ্জন কুমার। — ফাইল চিত্র।

ইন্দিরা গান্ধী হত্যা-পরবর্তী শিখবিরোধী হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সজ্জন কুমারকে বেকসুর খালাস করে দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। রায় দেওয়ার সময় বিচারক জানান, সজ্জনের বিরুদ্ধে কোনও রকম দোষপ্রমাণে ব্যর্থ প্রসিকিউশন।

Advertisement

বৃহস্পতিবার রাউস অ্যাভিনিউ আদালত বিশেষ বিচারক বিনয় সিংহ দিল্লি প্রাক্তন সাংদকে বেকসুর খালাসের রায় দেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘‘১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর সেই ঘটনাস্থলে সজ্জন উপস্থিত ছিলেন তার কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি। জনতাকে উস্কে দেওয়ারও কোনও প্রমাণ নেই সজ্জনের বিরুদ্ধে। প্রমাণ পাওয়া যায়নি ষড়যন্ত্রের। সেই কারণে আদালত মনে করে এই মামলা থেকে তাঁকে অব্যহতি দেওয়া যায়।’’ আদালত আরও জানিয়েছে, অন্যান্য দাঙ্গা-সম্পর্কিত মামলায় সজ্জনের জড়িত থাকার বিষয়টি এই মামলায় প্রমাণের প্রয়োজনীয়তাকে পরিবর্তন করতে পারে না। বিচারকের আরও পর্যবেক্ষণ, ‘‘অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাক্তন সাংসদ এবং অন্যান্য স্থানে একই ধরনের ঘটনায় তাঁর যুক্ত থাকার কারণ দেখিয়ে এই মামলায় প্রয়োজনীয় প্রমাণের অভাবেও তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা ঠিক নয়। আইন সব মানুষের জন্য সমান।’’

প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সজ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১ নভেম্বর দক্ষিণ দিল্লিতে এক শিখ পরিবারের পাঁচ জন সদস্যকে হত্যা এবং ওই এলাকার একটি গুরুদ্বার জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সজ্জন কুমার। ওই এলাকায় শিখবিরোধী দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার নেপথ্যেও নাকি ছিলেন রাজনগর কেন্দ্রের কংগ্রেস সাংসদ। এ ছাড়া, দিল্লির সুলতানপুরীতেও এক ব্যক্তিকে খুনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

Advertisement

১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর দিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সরস্বতী বিহারে শিখ ধর্মাবলম্বী পিতা-পুত্রকে খুনের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় সজ্জনকে মৃত্যুদণ্ড শোনানো হয়েছিল। যদিও গত বছর সেই মৃত্যুদণ্ড খারিজ করে দেয় দিল্লির বিশেষ আদালত। তার পরিবর্তে যাবজ্জীবন সাজা শোনানো হয়। বর্তমানে সজ্জন তিহাড় জেলে বন্দি। বয়স প্রায় ৮০। তবে এই মামলায় বেকসুর খালাস পেলেও এখনই জেলমুক্তি হচ্ছে না তাঁর।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement