(উপরের বাঁদিক থেকে ঘড়ির কাঁটা অনুযায়ী) লালুপ্রসাদ, রাবড়ী দেবী, তেজপ্রতাপ যাদব এবং তেজস্বী যাদব। —ফাইল চিত্র।
বিহাররে ভোটে বিপর্যয়ের পরে আরও আঘাত এল আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ তাঁর পরিবারে। জমির বিনিময়ে রেলে চাকরি মামলায় লালুপ্রসাদ, তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী দুই পুত্র তেজস্বী, তেজপ্রতাপ এবং কন্যা মিসা ভারতী-সহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হল দিল্লির বিশেষ সিবিআই আদালতে। আদালত শুক্রবার লালুর পরিবারকে ‘দুর্নীতির প্রতিষ্ঠান’ বলায় মামলার সম্ভাব্য রায় নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জল্পনা।
২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রে ইউপিএ সরকারের রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। অভিযোগ, সেই সময় চাকরি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। পরে ইডি এফআইআর দায়ের করে এই মামলার তদন্ত শুরু করে। গত বছরের মার্চ মাসে এই মামলার তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালুকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। শুধু একা নয়, লালুর স্ত্রী-পুত্রদেরও তলব করা হয়েছিল। সেই তলবে সাড়া দিয়ে হাজিরাও দিয়েছিলেন লালুরা।
সিবিআই আগেই এই মামলায় বেশ কয়েকটি চার্জশিট জমা করেছে। সেই সব চার্জশিটে দাবি করা হয়, কী ভাবে রেলে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জমির দাবি করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, দুর্নীতির শিকড় কী ভাবে গজিয়েছিল, কী ভাবে তার বিস্তার হয়েছিল— তা-ও চার্জশিটে উল্লেখ করে সিবিআই। এই মামলার মোট ৯৮ জন জীবিত অভিযুক্তের মধ্যে ৪৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের অনুমতি দিয়েছে দিল্লির বিশেষ সিবিআই আদালত। প্রসঙ্গত, ‘জমির বিনিময়ে চাকরি’র মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইনে ইডি ২০২৪ সালের ৮ জানুয়ারি লালুর পরিবারের একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল।