Fake Text Books

এনসিইআরটি-র ভুয়ো পাঠ্যবই ছাপানোর বড় চক্রের হদিস দিল্লিতে! উদ্ধার ৪৫ হাজার বই, ছাপার যন্ত্র, ধৃত তিন

পুলিশ জানিয়েছে, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি দু’টি অফসেট ছাপার যন্ত্র, বই ছাপানোর জন্য প্রচুর কাগজ, কালি এবং আরও বেশ কিছু সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:২৬
Share:

প্রতীকী ছবি।

এনসিইআরটি-র ভুয়ো পাঠ্যবই ছাপানোর বড় চক্রের হদিস মিলল দিল্লিতে। দু’কোটি টাকা মূল্যের ৪৫ হাজার পাঠ্যবই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে তিন জনকে।

Advertisement

অনেক দিন ধরেই পুলিশের কাছে খবর আসছিল এনসিইআরটি-র পাঠ্যবই বেআইনি ভাবে ছাপানো হচ্ছে শহরে। সেই অভিযোগ পেয়েই তল্লাশি চালাচ্ছিল দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা। শনিবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এ ছাড়াও পুলিশের আর একটি দল উত্তরপ্রদেশের গাজ়িয়াবাদেও তল্লাশি অভিযানে যায়। দুই জায়গায় এই অভিযানে ৪৪ হাজার ৮৬২টি ভুয়ো পাঠ্যবই উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি দু’টি অফসেট ছাপার যন্ত্র, বই ছাপানোর জন্য প্রচুর কাগজ, কালি এবং আরও বেশ কিছু সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতেরা হলেন, সুমিত এবং বিনোদ জৈন এবং কনিষ্ক। সুমিত শাহদরার বাসিন্দা। আর বিনোদ প্রীত বিহারের এবং কনিষ্ক যমুনা বিহারের বাসিন্দা। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পুলিশ খবর পায় দরিয়াগঞ্জের একটি গুদামে এনসিইআরটি-র বই ছাপানো হচ্ছে। সেই খবর পেয়ে দিল্লি পুলিশের কয়েকটি দল এবং এনসিইআরটি-র কয়েক জন প্রতিনিধি ওই গুদামে হানা দেয়। সেখান থেকে ১৩ হাজার ভুয়ো পাঠ্যবই উদ্ধার হয়। অন্য একটি দল উত্তরপ্রদেশের গাজ়িয়াবাদের লোনিতে একটি কারখানার আড়ালে বই ছাপানোর কাজ চলছিল। তল্লাশি অভিযানে সেখান থেকে ৩২ হাজারেরও বেশি বই উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement