—প্রতীকী চিত্র।
অসমের ভোটে বিজেপি লড়ছে না। আদি কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই হিমন্তবিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে থাকা ভুয়ো কংগ্রেসিদের। মাজুলিতে ভোট প্রচারে গিয়ে এমনটাই দাবি করলেন অসম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি গৌরব গগৈ। বিজেপির ভিতরে নব্য বনাম পুরোনো বিজেপি কর্মীদের দ্বন্দ্বই এবারের ভোটে কংগ্রেসের বড় অস্ত্র।
সেই পথে হেঁটেই কংগ্রেস প্রার্থী ইন্দ্রনীল পেগুর প্রচারসভায় গৌরব বলেন, “অসমে এখন আসল বিজেপি আর নেই। যা আছে তা হল হিমন্তর নেতৃত্বে, গায়ে বিজেপির লেবেল সাঁটা দলবদলু কংগ্রেস। যে সব নেতাদের জন্য এক সময়ে মানুষ কংগ্রেসকে অপছন্দ করত, তাঁরাই এখন অটল বিহারী বাজপেয়ী ভবনে একত্রিত হয়েছেন।”
গগৈয়ের দাবি, এ বারের নির্বাচন তাই ‘কলঙ্কিত’ কংগ্রেস বনাম কলঙ্কমুক্ত ‘নতুন’ কংগ্রেসের যুদ্ধ। অসমের মানুষই ঠিক করবেন তারা কোন কংগ্রেসকে বেছে নেবেন। বিজেপি আজ দলগাঁও ও সিসিবরগাঁও কেন্দ্রে তাদের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করে। অর্থাৎ ৯০টি আসনেলড়ছে তারা। কংগ্রেসের দাবি, উজানি অসমে এ বার বিজেপির অবস্থা নড়বড়ে। বিশেষ করে আহোমদের প্রতিনিধি গৌরবকে বিনা প্রমাণে পাকিস্তানের চর বলে দাবি করা এবং ১৩ জন বাঙালি ও ৪ জন হিন্দিভাষীকে প্রার্থী করলেও মাত্র ৬ জন আহোমকে টিকিট দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে উজানিতে ক্ষোভ রয়েছে।
গৌরব বলেন, “পরিবর্তনের প্রথম ইঙ্গিত দেখা যাবে উজনি অসমেই।” এ দিকে, বরাক উপত্যকায় টিকিট না পেয়ে বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাসের পদত্যাগের পরে এ বার উদারবন্দে প্রাক্তন কংগ্রেসি রাজদীপ গোয়ালাকে প্রার্থী করার প্রতিবাদে ৭ নেতা দল ছাড়লেন। তাঁদের মধ্যে এক জন নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়বেন বলেও জানান। দলত্যাগীদের দাবি, এখন দলে পুরনো নেতাদের গুরুত্ব নেই। হিমন্ত দলের কংগ্রেসিকরণ করছেন। কাটিগড়ায় সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসা উত্তর করিমগঞ্জের বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থকে প্রার্থী করা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে। এ দিকে, অসম গণ পরিষদের সাংসদ ফণীভূষণ চৌধুরীর স্ত্রী দীপ্তিময়ী চৌধুরীকে উপনির্বাচনের পরে, ফের বিধানসভা ভোটেও টিকিট দেওয়ায় বিজেপি নেতা চক্রধর দাস ঘোষণা করেছেন, তিনি বঙাইগাঁও কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থীহিসেবে লড়বেন।
সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এবং এলাকার মানুষের সমর্থন ও উৎসাহ পেয়েই তিনি বিজেপি ছেড়ে নির্দল প্রার্থীহিসেবে নির্বাচনে লড়ারসিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে