Bengaluru Murder Case

‘আমি মারা গেলে ওঁর কী হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম, সেই জন্য মেরে ফেলেছি’, স্ত্রীকে খুন করে দাবি ইসরোর প্রাক্তন কর্মীর

বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় এক ফ্ল্যাটে থাকতেন সন্ধ্যা শ্রী এবং তাঁর স্বামী নাগেশ ঈশ্বর রাও। নাগেশ ইসরোর অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। বুধবার সকালে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় সন্ধ্যার দেহ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৮
Share:

(বাঁ দিকে) নিহত সন্ধ্যা শ্রী এবং তাঁর স্বামী নাগেশ ঈশ্বর রাও (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

তিনি মারা গেলে স্ত্রীর কী হবে, তাই নিয়ে সর্ব ক্ষণ চিন্তা করতেন। সেই কারণেই শ্বাসরোধ করে স্ত্রীকে হত্যা করেছেন। গ্রেফতারির পরে এমনটাই দাবি করলেন ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরো’র এক প্রাক্তন কর্মী।

Advertisement

বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় এক আবাসনের ফ্ল্যাটে থাকতেন সন্ধ্যা শ্রী এবং তাঁর স্বামী নাগেশ ঈশ্বর রাও। বুধবার সকালে সেই ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয় সন্ধ্যার দেহ। তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে সন্দেহ পুলিশের। দেহ উদ্ধারের সময়ে তাঁর স্বামী নাগেশ ফ্ল্যাটেই ছিলেন। জানা যাচ্ছে, প্রৌঢ় নিজেই এক পরিচিতকে ফোন করে খুনের কথা জানান। সেখান থেকেই পুলিশ খবর পায়। পরে ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনাপরম্পরায় প্রাথমিক ভাবে প্রৌঢ়ের দিকেই সন্দেহ যায় পুলিশের। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই অপরাধের কথা স্বীকার করে নেন প্রৌঢ়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

Advertisement

কী কারণে ধৃত প্রৌঢ় তাঁর স্ত্রীকে খুন করেছেন, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তাঁকে জেরা করে এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক জেরায় ধৃত দাবি করেছেন, তিনি মারা গেলে স্ত্রীর কী হবে, সেই নিয়ে সর্ব ক্ষণ চিন্তায় থাকতেন তিনি। সেই কারণেই তিনি স্ত্রীকে খুন করেছেন বলে দাবি প্রৌঢ়ের। তবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। খুনের নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ থাকতে পারে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ধৃতের মানসিক কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানান, ধৃত প্রৌঢ় প্রায়শই বিষণ্ণ এবং ভারাক্রান্ত থাকতেন। এই নিয়ে তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। প্রৌঢ় নিজেও অতীতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

পিটিআই জানাচ্ছে, ওই দম্পতির একমাত্র মেয়ে বর্তমানে আমেরিকায় থাকেন। তাঁকে ইতিমধ্যে খবর দিয়েছে পুলিশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement