Tamil Nadu Assembly Election 2026

ভোটের আগে তামিলনাড়ু রাজনীতিতে নতুন মোড়, ডিএমকে-তে যোগ দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পন্নীরসেলভম

দক্ষিণ তামিলনাড়ুর থেনি এবং রামনাথপুরম এলাকায় থেভর জনগোষ্ঠীর মধ্যে পন্নীরসেলভমের প্রভাব রয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে ওই ভোটব্যাঙ্ক ডিএমকে-র দিকে ঝুঁকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৩০
Share:

(বাঁ দিকে) ও পন্নীরসেলভম এবং এমকে স্ট্যালিন (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

সাত মাস আগে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্র্রী এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে প্রাতর্ভ্রমণ-আলোচনার পরে এনডিএ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। শুক্রবার সেই স্ট্যালিনের দল ডিএমকে-তেই যোগ দিলেন তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বহিষ্কৃত এডিএমকে নেতা ও পন্নীরসেলভম (দ্রাবিড় রাজনীতিতে যিনি ওপিএস নামে পরিচিত)।

Advertisement

আগামী এপ্রিল মে-মাসে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরলের সঙ্গেই তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। তার আগে পন্নীরসেলভমের ডিএমকে-তে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন দ্রাবিড় রাজনীতির অনেকেই। দক্ষিণ তামিলনাড়ুর থেনি এবং রামনাথপুরম এলাকায় থেভর জনগোষ্ঠীর মধ্যে পন্নীরের প্রভাব রয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে রামনাথপুরমে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছিলেন তিনি। আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পলানীস্বামীর এডিএমকে নেমে গিয়েছিল তৃতীয় স্থানে। বিধানসভা ভোটের আগে পন্নীরকে পাশে পাওয়ায় স্ট্যালিনের দল উপকৃত হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

প্রয়াত এডিএমকে নেত্রী জয়ললিতার ‘সবচেয়ে আস্থাভাজন’ বলে পরিচিত ছিলেন পন্নীরসেলভম। দুর্নীতি মামলায় জেলযাত্রা কিংবা শারীরিক অসুস্থতার সময় তিন বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বস্ত পন্নীরকেই বেছে নিয়েছিলেন আম্মা। কিন্তু ২০১৬ সালে তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই তামিলনাড়ুতে এডিএমকে নেতৃত্বের মধ্যে সঙ্ঘাতের চোরা স্রোত শুরু হয়। প্রথমে শশীকলার সমর্থনে কার্যনির্বাহী মুখ্যমন্ত্রী পন্নীরকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন পলানী। এর পর শশীকলা দুর্নীতি মামলায় জেলে যাওয়ায় ক্ষমতা নিষ্কণ্টক হয় তাঁর। পনীর এবং পলানী গোষ্ঠীর বিবাদের জেরে দলও ভাঙে। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগের বিজেপির সক্রিয়তায় দুই গোষ্ঠী জোড়া লাগে। উপমুখ্যমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি দলের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন পন্নীর। মুখ্যমন্ত্রী পলানী হয়েছিলেন সহ-সমন্বয়কারী। কিন্তু বিধানসভা ভোটে হেরে যায় এডিএমকে। এর পরে ২০২২ সালে এডিএমকের সাধারণ পরিষদের বৈঠক ডেকে পন্নীর এবং তাঁর অনুগামীদের বহিষ্কার করে সংখ্যাগরিষ্ঠ পলানী শিবির।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement