হোটেলে ৪ দেহ

হোটেলের ঘরে মিলল এক পরিবারের চার জনের মৃতদেহ। গুয়াহাটির গণেশগুড়ির ঘটনা। পুলিশ জানায়, আজ সকালে গণেশগুড়ির একটি হোটেলের ১০২ নম্বর ঘরের দরজা না খোলায়, কর্মীরা দরজার উপরের ফাঁক দিয়ে দেখেন বিছানায় এক শিশু, দুই তরুণী ও এক ব্যক্তির দেহ পড়ে রয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৩৪
Share:

হোটেলের ঘরে মিলল এক পরিবারের চার জনের মৃতদেহ। গুয়াহাটির গণেশগুড়ির ঘটনা। পুলিশ জানায়, আজ সকালে গণেশগুড়ির একটি হোটেলের ১০২ নম্বর ঘরের দরজা না খোলায়, কর্মীরা দরজার উপরের ফাঁক দিয়ে দেখেন বিছানায় এক শিশু, দুই তরুণী ও এক ব্যক্তির দেহ পড়ে রয়েছে। সকলের মুখ দিয়ে ফেনা বেরচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে চারটি দেহ উদ্ধার করে।

Advertisement

হোটেল সূত্রে জানানো হয়, দরং জেলার সিপাঝারের বাসিন্দা ওই চার জন গত কাল বিকেল পাঁচটায় হোটেলে আসেন। প্রশান্ত কুমারের নামে ঘর ভাড়া নেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছিলেন, গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসার জন্য এসেছেন। পরে পরিজনরা দেহগুলি শণাক্ত করেন। জানা যায়, প্রশান্ত (৩৬) তাঁর স্ত্রী পম্পি কলিতা (২৬), সম্পর্কিত শ্যালিকা অনামিকা কলিতা (২১) ও প্রশান্ত-পম্পির চার বছরের পুত্রসন্তানকে নিয়ে গুয়াহাটিকে পুলিন গগৈ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন প্রশান্ত। প্রশান্ত ও পুলিন সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে দরং জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বেকারদের কাছ থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু পুলিন টাকা নিয়ে গুয়াহাটি চলে এসে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। চাকরিপ্রার্থীরা টাকা ফেরত চেয়ে প্রশান্তর উপরে চাপ দিচ্ছিল। হেমন্ত জানান, পুলিন গগৈ টাকা দেওয়ার নাম করে প্রশান্তদের গুয়াহাটিতে ডাকলেও টাকা দেয়নি। সম্ভবত তার পরেই সপরিবার আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন প্রশান্তবাবুরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement