Bhopal Crime News

থাপ্পড়ের বদলা নিতে খুনের চেষ্টা! ভোপালে কিশোরকে ৩০ সেকেন্ডে ২৭ বার কোপ সহপাঠীদের, কী পরিণতি?

আক্রান্ত এবং অভিযুক্ত সকলেই দশম শ্রেণির ছাত্র, বয়স ১৬ বছরের আশপাশে। তারা সকলে স্থানীয় একটি স্কুকার ক্লাবে বিলিয়ার্ড খেলতে যেত। ওই ক্লাবে বচসার সূত্রপাত।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৫৬
Share:

ভোপালের স্নুকার ক্লাবের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনার মুহূর্ত ধরা পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

থাপ্পড়ের বদলা নিতে কিশোরকে খুনের চেষ্টা করল সহপাঠীরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক বার কোপানো হল তাকে। তার পর সেই ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অভিযুক্তেরাই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দিল! মধ্যপ্রদেশের রাজধানী শহর ভোপালের এই ঘটনা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিযুক্তদের ধরলেও বয়সের কারণে পরে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। আক্রান্ত কিশোর গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত এবং অভিযুক্ত সকলেই দশম শ্রেণির ছাত্র, বয়স ১৬ বছরের আশপাশে। তারা সকলে স্থানীয় একটি স্কুকার ক্লাবে বিলিয়ার্ড খেলতে যেত। ওই ক্লাবে খেলাটি শেখানো হত। কিছু দিন আগে ক্লাবেই সহপাঠীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিল কিশোর। সেই সময়ে দু’জনকে সে থাপ্পড় মারে। সেই ঘটনার বদলা নিতে অভিযুক্ত দু’জন কিশোরকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে, সিনেমার ধাঁচে ক্লাবে ঢুকছে দুই অভিযুক্ত। সকলের সামনেই তারা কিশোরকে এক কোণে নিয়ে যায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারে। ৩০ সেকেন্ডে ২৭ বার কোপানো হয় কিশোরকে। তার পর আবার যে ভাবে এসেছিল, সে ভাবেই ক্লাব থেকে বেরিয়ে যায় দু’জন। কিশোরকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার শুধু হাতেই অন্তত ১০টি গভীর ক্ষত রয়েছে। আঘাত লেগেছে কাঁধ এবং পিঠে।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত কিশোর ভোপালের গৌতম নগর থানা এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই এই হামলা। তবে এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এফআইআর রুজুর পর দুই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছিল। নাবালক হওয়ায় নোটিস ধরিয়ে তাদের ছে়ড়ে দেওয়া হয়েছে। কিশোরের মেডিক্যাল রিপোর্ট পাওয়ার পর আঘাতের মাত্রা বুঝে চার্জ গঠন করবে পুলিশ। নাবালকদের মধ্যে এই ধরনের প্রতিশোধস্পৃহায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকদের একাংশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement