প্রতীকী ছবি।
উত্তরপ্রদেশে এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল বালিয়ায়। অভিযোগ উঠেছে কিশোরীর গ্রামের পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের ধরতে বেশ কয়েকটি দল গঠন করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যাবেলায় বাড়ির কাছেই একটি মাঠে গিয়েছিল সে। সেই সময় গ্রামেরই পাঁচ যুবক সেখানে আসেন। কিশোরীকে শাসান। তার পর তাঁর মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে যান নির্জন জায়গায়। সেখানে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়। তার পর অভিযুক্তেরা পালিয়ে যান।
তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সেই ঘটনার পর বাড়িতে কোনও রকমে ফিরে আসে কিশোরী। তাঁকে দেখে সন্দেহ হয় বাড়ির লোকেদের। কী হয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই তখন সে গোটা ঘটনাটি জানায়। এর পরই পুলিশের দ্বারস্থ হয় নির্যাতিতার পরিবার। গ্রামের পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে তারা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হিতেশ কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের সকলের বয়স ২০-২৫ বছরের মধ্যে। তাঁরা সকলেই একই গ্রামে থাকেন। বালিয়ার পুলিশ সুপার ওমবীর সিংহ জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। দ্রুত তাঁকে গ্রেফতার করে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।
অন্য দিকে, রাজ্যের বান্দা জেলায় এক দলিত কিশোরীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তার পর তাকে একটি সেতুর নীতে ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তেরা সকলেই নাবালক। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ, কিশোরীকে লক্ষ্য করে কিছু স্প্রে করা হয়েছিল। তার পরই সে জ্ঞান হারায়। তার পর তাকে তুলে নিয়ে যায় তিন জন। একটি হোটেল নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তেরা সকলেই কিশোরীর পরিচিত। গত জানুয়ারিতে এক শিশুকে গণধর্ষণের পর ছাদ থেকে ছুড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যের বুলন্দশহরে।