Medical Science

পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম, গুজরাতে ৩২ কিমি দূর থেকে রোবটের মাধ্যমে হার্ট অপারেশন

অত্যাধুনিক রোবটিকসের মাধ্যমেই এই অসাধ্য সাধন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সারা পৃথিবীতে এই প্রথম অপারেশন থিয়েটারের বাইরে থেকে রোগীর সফল অস্ত্রোপচার করলেন কোনও চিকিৎসক।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ ১৪:৩৭
Share:

অসাধ্য সাধন করলেন তেজাস পটেল। ছবি সৌজন্য: টুইটার।

মেডিক্যাল সায়েন্সে নয়া নজির তৈরি করলেন গুজরাতের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ তেজাস পটেল। রোগীর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে বসে কম্পিউটারের মাধ্যমে রোবট চালিয়ে করলেন সফল হার্ট অপারেশন। সারা পৃথিবীর ডাক্তারি শাস্ত্রের ইতিহাসে এই ঘটনা অভূতপূর্ব।

Advertisement

বুধবার আমদাবাদের অ্যাপেক্স হার্ট ইনস্টিটিউটে ছিলেন রোগী। মধ্যবয়স্কা এই মহিলার ধমনীতে ৯০ শতাংশ ব্লক থাকার কারণে রক্ত চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যে কারণে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। আর চিকিৎসক তেজাস পটেল সেই অপারেশন করলেন হাসপাতাল থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে গাঁধীনগরের অক্ষরধাম মন্দির থেকে। কম্পিউটারের সাহায্যে রোবট চালিয়েই এই অপারেশন করলেন তিনি। একই সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে গেলেন সারা পৃথিবীর মেডিক্যাল সায়েন্সকে। কারণ, এই ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম।

ডাক্তারি পরিভাষায় এই ঘটনাকে বলা হচ্ছে টেলি রোবটিক সার্জারি। অত্যাধুনিক রোবটিকসের মাধ্যমেই এই অসাধ্য সাধন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সারা পৃথিবীতে এই প্রথম অপারেশন থিয়েটারের বাইরে থেকে রোগীর সফল অস্ত্রোপচার করলেন কোনও চিকিৎসক।

Advertisement

আরও পড়ুন: যোগীর বাড়িতে নিহত ইনস্পেক্টরের পরিবার, মূল অভিযুক্ত যোগেশকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ বজরং দলের

তেজাস পটেলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামে অত্যাধুনিক চিকিৎসার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘ আমার কাছে ২০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল। এই যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে রোগীকে না সরিয়ে সফল ভাবে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব। এর ফলে গ্রামীন স্বাস্থ্যব্যবস্থার হাল হকিকত বদলে যেতে পারে।’’

আরও পড়ুন: হ্রদে আত্মহত্যা এডস রোগীর, ‘সংক্রমণের’ ভয়ে হ্রদের জলই পাল্টে দিলেন গ্রামবাসীরা!

কিন্তু অক্ষরধাম মন্দির থেকে কেন অপারেশন? এই প্রশ্নের উত্তরে ডক্টর পটেল জানিয়েছেন, ‘‘ আমি এই মন্দির বেছে নিয়েছি, কারণ অক্ষরধাম আমার কাছে আধ্যাত্মিকতা এবং প্রযুক্তির যৌথ প্রতীক। আমার এক জন মানুষ হয়ে ওঠার পিছনে এই মন্দিরের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। ’’

(কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাত থেকে মণিপুর - দেশের সব রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের দেশ বিভাগে ক্লিক করুন।)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement