Gujrat

প্রিয় মানুষের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল উট, মুখে তুলছে না কিছুই

একটি উট অত্যন্ত প্রিয় ছিল অ্যাসিসট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের শিবরাজ গাধভির। কিন্তু আচমকা শিবরাজের মৃত্যু হওয়ায় খাওয়া-দাওয়া প্রায় ছেড়ে দিয়েছে সেই উটটি।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০১৯ ১৪:৪৪
Share:

প্রভুভক্ত উট। প্রতীকি ছবি। ছবি: শাটারস্টক

মরু অঞ্চলে চলাফেরার সুবিধার জন্য অন্যতম উপায় উট। তাই গুজরাতের কছ জেলার একটি থানাতে রীতিমতো নিয়োগ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি উটকে। তার মধ্যে থেকেই একটি উট অত্যন্ত প্রিয় ছিল অ্যাসিসট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের শিবরাজ গাধভির। কিন্তু আচমকা শিবরাজের মৃত্যু হওয়ায় খাওয়া-দাওয়া প্রায় ছেড়ে দিয়েছে সেই উটটি।

Advertisement

প্রতিদিন উটটিকে নিয়মিত খাবার দিতেন ওই পুলিশকর্মী। উটটিও শিবরাজ ছাড়া অন্য কারও হাতেই খাওয়াদাওয়া বিশেষ পছন্দ করত না। গত ২৪ জানুয়ারি সকালে উটকে খাবার খাওয়ানোর পর সীমান্ত এলাকায় নজরদারির কাজে বেরিয়ে যান শিবরাজ। তার কিছুক্ষণ পরেই বুকে যন্ত্রণা শুরু হয় তাঁর। যন্ত্রণায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি অ্যাম্বুল্যান্সের বন্দোবস্ত করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা জানান, হার্ট অ্যাটাকেই মারা গেছেন ওই পুলিশকর্মী।

কিন্তু তাঁর মৃত্যুর ধাক্কায় শিবরাজের গ্রামবাসীদের সঙ্গে সঙ্গে সেই অবলা জীবটিও যে এমন বিহ্বল হয়ে পড়বে, তা বোধ হয় ভাবেননি কেউই। শিবরাজের মৃত্যুর পর থেকেই খাওয়া-দাওয়া একদমই বন্ধ করে দিয়েছে সেটি। থানার বাকি কর্মীরা প্রতিদিনই নিয়ম করে জল-খাবার দিয়ে চলেছেন উটটিকে, কিন্তু সে যেন খুঁজে চলেছে শিবরাজকেই।

Advertisement

আরও পড়ুন: পুলওয়ামার ত্রালে জঙ্গিদের ডেরা ভাঙতে সেনা অভিযান, নিকেশ দুই সন্ত্রাসবাদী

অবলা প্রাণির এমন অসাধারণ দুঃখবোধ অবাক করেছে বাকি পুলিশ কর্মকর্তাদেরও। উটটিকে পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: ৫০০ বছরের পুরনো শিব মন্দির, বংশ পরম্পরায় পুজো সামলাচ্ছে এক মুসলিম পরিবার

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement