Twisha Sharma death mystery

‘আমি কিছু জানি না’! আদালতে চিৎকার ত্বিশার শাশুড়ির, সওয়াল করলেন নিজেই, কী দাবি করলেন গিরিবালা?

মঙ্গলবার অভিযুক্ত গিরিবালা এবং তাঁর পুত্র তথা ত্বিশার স্বামী সমর্থকে ভোপালের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেখানে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেই সওয়াল করেন গিরিবালা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ১৬:১৮
Share:

(বাঁ দিকে) ত্বিশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ। ত্বিশা শর্মা (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

তিনি কিছু জানেন না। আদালতকক্ষে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বিচারকের কাছে দাবি করেন ত্বিশা শর্মার শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ। মঙ্গলবার অভিযুক্ত গিরিবালা এবং তাঁর পুত্র তথা ত্বিশার স্বামী সমর্থকে ভোপালের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেখানে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেই সওয়াল করেন গিরিবালা। সেই সওয়াল জবাবের সময় চিৎকার করে গিরিবালা বলেন, ‘‘ঘরের সিসিটিভি ফুটেজ কে নিয়ে গেল, আমি কিছুই জানি না।’’ তার পরই তাঁর অভিযোগ, ত্বিশার আইনজীবী পুত্র সমর্থকে মারধর করেছেন।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ২৯ মে গিরিবালা এবং সমর্থকে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই। ২ জুন পর্যন্ত তাঁদের হেফাজত চেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নতুন করে হেফাজতে নেওয়ার জন্য আবেদন জানায়নি সিবিআই। আদালতে গিরিবালা দাবি করেন, ত্বিশার মৃত্যু নিয়ে যে ভাবে সংবাদমাধ্যমে নানা রকম তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেটা বন্ধ হওয়া উচিত। তদন্তকারীরা ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য ভোপালে তাঁদের বাড়িতে নিয়ে যান। গিরিবালার অভিযোগ, বাড়ির সামনে তাঁদের না নামিয়ে, বেশ কিছুটা দূরে নামিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে আসা হয়। এর পরই তাঁর প্রশ্ন, এই ধরনের কাজ কেন করা হচ্ছে?

ঘটনার পুনর্নির্মাণে সোমবার ভোপালের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় গিরিবালা এবং সমর্থকে। সেখানে পুরো ঘটনা পুনর্নির্মাণ করেন তদন্তকারীরা। কী ভাবে ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ নামানো হয়েছিল। নামানোর পর গলার ফাঁস কে খুলেছিলেন, কী ভাবে খুলেছিলেন, সব ঘটনার পুনর্নির্মাণ করান গিরিবালা এবং সমর্থকে দিয়ে।

Advertisement

অন্য দিকে, ত্বিশার মৃত্যুর ঘটনায় এক সাক্ষীকে ভয় দেখানো এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে ত্বিশার স্বামীর কিছু বন্ধুদের বিরুদ্ধে। ওই সাক্ষী দাবি করেছেন, তিনি প্রাণসংশয়ে ভুগছেন। ত্বিশার শ্বশুরবাড়ির কাছে একটি পার্লার চালান নীরজ। পণের দাবিতে ত্বিশার উপর অত্যাচারের যে অভিযোগ উঠেছে, সেই মামলায় অন্যতম সাক্ষী তিনি। অভিযোগ, গত ৩০ মে সমর্থের চার-পাঁচ জন বন্ধু চড়াও হন নীরজের উপর। কেন তিনি মামলায় সাক্ষী হয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন ওই যুবকেরা। নীরজের বক্তব্য, হামলাকারীরা তাঁকে ভয় দেখান। তিনি যাতে আদালতে কোনও সাক্ষ্য না দেন, তার জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement