Twisha Sharma Mysterious Death

আমি প্রাণ সংশয়ে ভুগছি! ত্বিশার মৃত্যু মামলায় সাক্ষীকে হুমকির অভিযোগ, দলবল নিয়ে চড়াও হন সমর্থের বন্ধুরা

গত ১২ মে রাতে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ। ঘটনায় ত্বিশার শাশুড়ি অবসরপ্রাপ্ত বিচারক গিরিবালা সিংহ এবং স্বামী সমর্থকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ১২:২৫
Share:

ত্বিশা শর্মা। গত ১২ মে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত দেহ। —ফাইল চিত্র।

ত্বিশা শর্মার মৃত্যু মামলায় এ বার সাক্ষীকে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠল। ত্বিশার স্বামী সমর্থ সিংহের বন্ধুরা ওই সাক্ষীর উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ। এখন প্রাণসংশয়ে ভুগছেন মামলার অন্যতম ওই সাক্ষী নীরজ দুবে। ইতিমধ্যে ভোপালের কাটরা হিল্‌স থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

ত্বিশার শ্বশুরবাড়ির কাছে একটি পার্লার চালান নীরজ। পণের দাবিতে ত্বিশার উপর অত্যাচারের যে অভিযোগ উঠেছে, সেই মামলায় অন্যতম সাক্ষী তিনি। অভিযোগ, গত ৩০ মে সমর্থের চার-পাঁচ জন বন্ধু মিলে চড়াও হন নীরজের উপর। কেন তিনি মামলায় সাক্ষী হয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন ওই যুবকেরা। নীরজের বক্তব্য, হামলাকারীরা তাঁকে ভয় দেখান। তিনি যাতে আদালতে কোনও সাক্ষ্য না দেন, তার জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। নীরজ বলেন, “আমি প্রাণ সংশয়ে ভুগছি। ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তা চেয়ে আমি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি।”

গত ৩০ মে-র ওই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে (যার সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। ওই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন যুবক মিলে ঘিরে ধরেছেন নীরজকে এবং তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ওই ঘটনার পর ভোপালের কাটরা হিল্‌‌স থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নীরজ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। এলাকার আশপাশের সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

Advertisement

গত ১২ মে রাতে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ। ঘটনায় ত্বিশার শাশুড়ি অবসরপ্রাপ্ত বিচারক গিরিবালা সিংহ এবং স্বামী সমর্থকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, ত্বিশার স্বামী তদন্তকারীদের কাছে জেরায় দাবি করেছেন, ছাদে ত্বিশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে তড়িঘড়ি তাঁর দেহ উপরের দিকে তুলে ধরেছিলেন যাতে ফাঁস আলগা হয়। তাঁর মা দড়ির ফাঁস খোলেন। তার পর দু’জনে মিলে ধরাধরি করে ত্বিশাকে নামান। সোমবার ভোপালের কাটরা হিলসে ত্বিশার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন সিবিআই আধিকারিকেরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement