ছবি: সংগৃহীত।
কোটার একটি ঘরে দু’বছর ধরে জেইই অ্যাডভান্সড-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্জ়ামিনেশন অ্যাডভান্সড-এর ফলপ্রকাশের পর জানতে পারলেন দু’জনেই কমন র্যাঙ্ক লিস্ট-এ প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন। মাত্র এক নম্বরের ব্যবধানে দেশের সেরা হয়েছেন বিহারের শুভম কুমার (প্রাপ্ত নম্বর ৩৩০) এবং গুরুগ্রামের কবীর ছিল্লার (প্রাপ্ত নম্বর ৩২৯)।
জয়েন্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে নিজের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়েছিলেন শুভম আর কবীর। কোটার একটি ছাত্রাবাসেই একে অপরের সঙ্গে তাঁদের আলাপ। পড়াশোনা থেকে ব্যাডমিন্টন— সবই তাঁরা একসঙ্গে করতেন। একে অপরকে সাহসও যোগাতেন। একে অপরের সহযোগিতা ছাড়া এই সাফল্য পাওয়া সম্ভব ছিল না।
সারাদিন বইয়ে মুখ গুঁজে পড়াশোনায় বিশ্বাসী নন শুভম। ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়া যায় না, এমন দাবিও করেন কৃতী। দিনে আট ঘণ্টা পর্যন্ত পড়াশোনার পর কবীরের সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলে চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতেন শুভম। এ ছাড়াও কোথাও কোনও সমস্যা হলে সেটা সকলের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করতেন ওই ছাত্র।
দু’জনেই চেয়েছিলেন জেইই অ্যাডভান্সড-এ ভাল নম্বর পেতে। তাই তাঁদের প্রস্তুতি পর্বে কোনও খামতি রাখতে চাননি। যদিও শুভম যেখানে মনোযোগ দিয়ে সমস্যা সমাধানে জোর দিতেন, কবীর সেখানে বিষয়বস্তু সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জনে বিশ্বাসী।
এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে কবীর বলেন, “শুভম দু’বছর টানা পরিশ্রম করার পর এই সাফল্য পেয়েছে। বন্ধুর সাফল্যে আমি খুবই খুশি হয়েছি। অন্য কেউ আমার থেকে বেশি পেলে হয়ত একটু হলেও হতাশ হতাম।” উল্লেখ্য, শুভম এবং কবীর দু’জনেই আইআইটি বোম্বে থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে চান।