প্রতীকী ছবি।
আমলা-কন্যাকে ধর্ষণ এবং খুনের পর সেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে অভিযুক্ত পরিচারক প্রথম ফোন করেছিলেন তাঁর তুতো ভাইকে। তিনি দিল্লিতেই থাকেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ভাইকে ফোন করে পরিচারক বলেছিলেন, ‘‘একটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছি। আমার মৃত্যু হতে পারে। পুলিশ আমাকে খুঁজছে। খুব শীঘ্রই গ্রেফতার করবে।’’ এ কথা বলেই ফোন কেটে দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। তার পরই অটোতে চেপে দ্বারকার একটি হোটেলে গিয়ে ওঠেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, আমলার বাড়ি থেকে বার হওয়ার পর তাঁকে ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। সিসিটিভি ফুটেজে সেই দৃশ্য ধরা পড়েছে। কার সঙ্গে কথা বলছিলেন অভিযুক্ত তা জানার চেষ্টা করা হয়। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ফোন ঘেঁটে এবং অভিযুক্তকে জেরা করে জানা গিয়েছে, আমলার বাড়ি থেকে বেরিয়েই তিনি তুতো ভাইকে ফোন করেছিলেন। তার পর অটোয় চেপে দিল্লির দ্বারকায় হোটেলে গিয়ে ওঠেন। হোটেলে ঢোকার পর অনলাইনে টিশার্ট এবং খাবারের অর্ডার দেন অভিযুক্ত, এমনটাও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।
তবে রাজস্থানের অলওয়ারে ধর্ষণের বিষয়টি পরিচারক অস্বীকার করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। অভিযুক্ত তরুণ দাবি করেন, তিনি মোবাইল ফোন আনতে গিয়েছিলেন। কোনও ক্ষতি করেননি মহিলার। প্রসঙ্গত, আমলা-কন্যাকে ধর্ষণ খুনের কয়েক ঘণ্টা আগেই অলওয়ারে বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে পরিচারকের বিরুদ্ধে। তার পর সেখান থেকে তিনি পালিয়ে আসেন দিল্লিতে। তার পরই আমলার বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণ এবং খুন করেন বলে অভিযোগ।