—প্রতীকী চিত্র।
প্রায় সাত বছর পরে ইরান থেকে অশোধিত তেল ভারতে আসতে পারে। সূত্রের খবর, ইরানের অশোধিত তেল ভর্তি জাহাজ ‘পিং শুন’ গুজরাতের ভাডিনার উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। এই জাহাজে প্রায় ৬ লক্ষ ব্যারেল অশোধিত তেল রয়েছে। ইরানের জ্বালানির বৃহত্তম তালুক খার্গ দ্বীপ থেকে এই জাহাজে ৪ মার্চ তেল ভরা হয়েছিল।
আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার চাপে ২০১৯-এর মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে আর অশোধিত তেল আমদানি করেনি। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পরে আমেরিকা সাময়িক ভাবে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে বলেছে, ইরানের যে সব তেল ইতিমধ্যেই জাহাজে তোলা হয়ে গিয়েছে, তা ভারতের মতো দেশগুলি কিনতে পারে। ইরান থেকে তেল কেনা হবে কি না, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় পেট্রলিয়াম মন্ত্রক এখনও পর্যন্ত সরাসরি মুখ খুলতে চায়নি। মন্ত্রকের বরাবরই অবস্থান ছিল, কোথা থেকে অশোধিত তেল আমদানি করা হবে, তা রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ও বেসরকারি তেল শোধনাগারগুলির বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত।
জ্বালানি ভর্তি জাহাজ চলাচলের বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের অশোধিত তেল নিয়ে পিং শুন নামের জাহাজটির গন্তব্য এখনও পর্যন্ত গুজরাতের ভাডিনার বন্দর। যদি না গন্তব্য বদলে যায়, তা হলে ৪ এপ্রিল এই জাহাজ ভারতে পৌঁছবে। জাহাজটি আফ্রিকার দেশ ইসওয়াইতিনি-র।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ গুজরাতে ভারতের দ্বিতীয় সেমিকন্ডাক্টর কারখানার উদ্বোধন করেছেন। তার পরে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি বিশ্বে প্রভাব ফেলেছে। পেট্রল, ডিজ়েল, গ্যাসের ক্ষেত্রে
সমস্যা বেড়েছে। ভারত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। পেট্রল আর ডিজ়েলের দামও বাড়ায়নি। গুজব ছড়িয়ে কংগ্রেস অরাজকতা তৈরি করতে চাইছে বলে আজ অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
পেট্রলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সচিব অঞ্জন মিশ্র আজ দিল্লিতে জানিয়েছেন, এলপিজি নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছে ঠিকই। কিন্তু সরকার সমস্ত পরিকল্পনা তৈরি রেখেছে। পরিস্থতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। ওএনজিসি-র কর্তারা জানিয়েছেন, ভারত জ্বালানির ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভর। এলপিজি-র ৬০ শতাংশ, এলএনজি-র ৫০ শতাংশ আমদানি করতে হয়। এলএনজি আমদানির ৬০ শতাংশ হরমুজ় প্রণালী হয়ে আসে। সরকার দেশে এলপিজি উৎপাদন বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে