Bill for Removal of Jailed Minister

‘রিপোর্ট দিতে আরও সময় লাগবে’! ৩০ দিন হেফাজতে থাকলে মন্ত্রিত্ব খারিজের বিল নিয়ে জানাল যৌথ সংসদীয় কমিটি

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে ওই বিলগুলি পেশ করার পরই জানিয়েছিল, পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হবে যৌথ কমিটির কাছে। সেই মতো বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা ষড়ঙ্গীর নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৪:১৬
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দিতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে! সংসদের কাছে জানাল যৌথ কমিটি (জেপিসি)। তাদের সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে লোকসভা। আগামী বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহের প্রথম দিন পর্যন্ত রিপোর্ট জমা করার সময় দেওয়া হয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটিকে।

Advertisement

গত বছর অগস্টে সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার একটি সংবিধান সংশোধনী বিল-সহ তিনটি বিল পেশ করেছিল। প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্র বা রাজ্যের মন্ত্রীরা যদি পাঁচ বছরের বেশি কারাদণ্ড হতে পারে এমন অপরাধে গ্রেফতার হয়ে টানা ৩০ দিন আটক থাকেন, তা হলে তাঁদের পদ চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে ওই বিলগুলিতে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে ওই বিলগুলি পেশ করার পরই জানিয়েছিল, পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হবে যৌথ কমিটির কাছে। সেই মতো বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা ষড়ঙ্গীর নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়। তবে বিল নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি তোলেন বিরোধীরা। সংবিধানের ১৩০তম সংশোধনী বিল লোকসভায় পেশের সময়েই বিরোধিতা করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূলের তরফে। কার্যক্ষেত্রে ৩১ সাংসদকে (লোকসভার ২১ জন এবং রাজ্যসভার ১০) নিয়ে গঠিত জেপিসিতে প্রস্তাব পাশ করানোর গরিষ্ঠতা রয়েছে সরকারপক্ষের। বিরোধিতা করতে গিয়ে সেই বিষয়টি সামনে এনেছিল তৃণমূল।

Advertisement

বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ওয়াকফ বিল সংক্রান্ত জেপিসির মতোই এ ক্ষেত্রেও রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে যে যৌথ কমিটি হবে, তাতে বিজেপির কাউকেই চেয়ারম্যান করা হবে। তাতে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-র সাংসদদেরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে। ফলে বিরোধীরা যতই প্রতিবাদ করুক, যৌথ কমিটি বিলের পক্ষেই সুপারিশ করবে। বিরোধীদের আপত্তি ‘ডিসেন্ট নোট’-এই আটকে থাকবে। বিরোধীরা যে অভিযোগ তুলেছিলেন, তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছিল অপরাজিতাকে কমিটির মাথায় বসানোয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement